ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তালিকা
ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তালিকা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা
না থাকার কারণে প্রক্রিয়াটি আপনার কাছে অনেক জটিল মনে হতে পারে। সঠিক কাগজ
পত্র ছাড়া ব্যাংকে কোনো একাউন্টই খোলা সম্ভব নয়।
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্রের তালিকা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিব। আপনি জানতে পারবেন একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির শিক্ষার্থী নারী সবাই কি কি কাগজপত্র নিয়ে ব্যাংকে যাবেন।
পেজ সূচিপত্রঃ ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তালিকা
-
ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তালিকা
- ব্যাংক একাউন্ট কি এবং কেন খুলবেন
-
ব্যক্তি পর্যায়ে সঞ্চয়ী একাউন্ট খোলার প্রাথমিক কাগজপত্র
-
কারেন্ট বা চলতে একাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে বিশেষ কাগজপত্র
-
শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ একাউন্টের কাগজপত্র
-
মহিলাদের জন্য অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাগজপত্র প্রয়োজন
কিনা
-
টিআইএন সার্টিফিকেটের গুরুত্ব ও তা সংগ্রহ করার পদ্ধতি
-
ঠিকানা প্রমাণের জন্য বিকল্প দলিল সমূহ
-
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সময় রেফারি বা পরিচিত ব্যক্তির প্রয়োজনীয়তা
-
শেষ কথাঃ ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তালিকা
ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তালিকা
ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তালিকা সম্পর্কে জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি একজন সাধারন নাগরিক হিসেবে ব্যক্তিগত সঞ্চয়ী একাউন্ট খুলতে চান, তাহলে আপনার লাগবে মাত্র তিনটি মৌলিক কাগজ। প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র এর স্মার্ট কার্ড। এটি অবশ্যই সাথে নিয়ে যাবেন। কারণ ব্যাংক কর্মকর্তা মূল কপি দেখে ফটোকপি নেবেন। দ্বিতীয় তো আপনার পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি। সাধারণত দুই কপি ছবি লাগে। কিন্তু একটি বাড়তি কপি রাখলে ভালো হয়।
তৃতীয়তঃ আপনার বর্তমান ঠিকানা প্রমাণের দলিল। আপনার নামে যেকোনো একটি ইউটিলিটি বিল, যেমন বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল বা পানি বিলের কাগজ নিয়ে যান। যদি আপনার নামে বিল না থাকে, তাহলে ওয়ার্ড কমিশনার বা ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের দেওয়া ঠিকানা সার্টিফিকেট গ্রহণযোগ্য। এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে টিআইএন সার্টিফিকেট চাইতে পারে। যদিও সরকারি অ্যাকাউন্টের জন্য এটি মূল নয়।
আরো পড়ুনঃ এনজিও চাকরির বিজ্ঞপ্তি ২০২৫ অনলাইনে আবেদন
আরো একটি বিষয় মনে রাখবেন, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সময় প্রাথমিক জমা
দেওয়ার জন্য কিছু টাকা সাথে নেবেন। সবচেয়ে বড় কথা হলো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার
জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হিসেবে এই কাগজ গুলোই বেশিভাগ ব্যাংকের জন্য যথেষ্ট।
তবে ব্যাংক ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্নতা থাকতে পারে। তাই সরাসরি ব্যাংক শাখায়
ফোন করে একবার নিশ্চিত হয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
ব্যাংক একাউন্ট কি এবং কেন খুলবেন
ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তালিকা সমূহ জানার আগে একাউন্টের গুরুত্ব বোঝা খুবই জরুরী। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হলো আপনার টাকা পয়সা সুরক্ষিত রাখার একটি বৈধ ও নিয়ন্ত্রিত জায়গা। এটি শুধু টাকা জমা রাখার স্থানীয় নয়, বরং আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপ। নিয়মিত সঞ্চয় জরুরি। তহবিল গঠন, ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের ভিত্তি তৈরি সব কিছুরই শুরুটা হয় একটি ব্যাংক একাউন্ট থেকে। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন এখন ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি যায়।
বেশিরভাগ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও এই পদ্ধতি অনুসরণ করে। ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তালিকা জানা থাকলে আপনি যেকোনো সময় যেকোন ব্যাংকে
গিয়ে সহজে অ্যাকাউন্ট খুলে নিতে পারবেন। এছাড়াও ব্যাংক একাউন্ট আসলে একটি
আর্থিক বিএনপি এর একটি রেকর্ড তৈরি করা সাথে প্রিন্ট নেওয়ার সময় বা অন্য কোন
আর্থিক সেবা গ্রহণের সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বেশি পর্যায়ে সঞ্চয়ী একাউন্ট খোলার প্রাথমিক কাগজপত্র
যদি আপনি একজন সাধারণ নাগরিক হয়ে ব্যক্তি পর্যায়ে সঞ্চয়ী একাউন্ট খুলতে চান, তাহলে আপনাকে কিছু মৌলিক কাগজপত্র নিয়ে ব্যাংক শাখায় উপস্থিত হতে হবে। প্রথম এবং সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাগজটি হলো আপনার পরিচয় প্রমাণের জন্য বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য ব্যাংক একাউন্ট খোলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তালিকা এর সাথে থাকে জাতীয় পরিচয় পত্র এর স্মার্ট কার্ড বা এর ফটোকপি। অবশ্যই মূল কপিটি সাথে নিতে হবে। যদি আপনার এন আই ডি না থাকে তাহলে পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের গ্রহণযোগ্য হিসেবে কাজ করে।
তবে এনআইডি সবচেয়ে বেশি পছন্দনীয়। দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ কাগজ হলো আপনার
পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন সদ্য তোলা ছবি। সাধারণত দুই কপি ছবির প্রয়োজন হয়। তবে
কিছু ব্যাংক সাদা কালো কপিও পেতে পারে। তৃতীয়ত ঠিকানা প্রমাণের জন্য ইউটিলিটি
বিলের কপি। আপনার বর্তমান ঠিকানায় আপনার নামে যেকোনো একটি বিল যেমন বিদ্যুৎ বিল,
গ্যাস বিল, পানির বিলের কপি সংযুক্ত করুন।
কারেন্ট বা চলতি একাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে বিশেষ কাগজপত্র
ব্যবসায়িক লেনদেন প্রতিষ্ঠান বা উচ্চ পরিমাণে ঘনঘন ঋনগ্রহনের জন্য কারেন্ট একাউন্ট খোলা হয়। কারেন্ট একাউন্টের জন্য কিছু অতিরিক্ত ও গুরুত্বপূর্ণ শর্ত যুক্ত হয়। প্রথমত ব্যবসায়িক লাইসেন্স। আপনি যে ধরনের ব্যবসা পরিচালনা করবেন তার বৈধতার প্রমানের জন্য সংরক্ষিত ভাবে দেওয়া ট্রেড লাইসেন্সের কপি জমা দিতে হবে।
দ্বিতীয়ত ফেক আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার সার্টিফিকেট বাধ্যতা মূলক। কারণ কারেন্ট একাউন্টে ব্যবসায়িক লেনদেন হয়। তাই এটি কল রেকর্ড এর সাথে যুক্ত থাকে। তৃতীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট কোম্পানি বা অংশীদারি হিসেবে যদি একাউন্ট পেতে চান, তাহলে কোম্পানি রেজিস্টার অফিস থেকে প্রাপ্ত রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।
শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ একাউন্টের কাগজপত্র
বর্তমানে প্রায় সব ব্যাংকের শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুবিধা সহ একাউন্টে ন্যূনতম জমা রাখার প্রয়োজন হয় না বা কম হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যাংক একাউন্ট খোলার একটি সহজ শিক্ষার্থীদের পরিচয় পত্র হিসেবে জাতীয় পরিচয় পত্র। অথবা জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। দ্বিতীয়ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় পত্র, শিক্ষার্থী কার্ড বা প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত বর্তমান শিক্ষার্থী হওয়া আইডি কার্ডের প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।
শিক্ষার্থীর পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিতে হবে। এছাড়াও অভিভাবকের পরিচয়
পত্র ও ছবি যেহেতু শিক্ষার্থীরা নাবালক বা শ্রদ্ধেয় প্রাপ্তবয়স্ক হতে পারে। তাই
ব্যাংক একাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে অভিভাবকের এর আইডি কপি ও ছবি জমা দিতে বলা হয়।
অভিভাবক ও শিক্ষার্থীর সম্মতির একটি ফর্ম ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত। যাতে অভিভাবক
একাউন্ট এর জন্য দায়িত্ব স্বীকার করেন।
মহিলাদের জন্য অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাগজপত্র প্রয়োজন কিনা
মহিলাদের জন্য বিশেষ সুবিধা বা উৎস মূলক একাউন্ট স্কিন থাকলেও ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তালিকা সাধারণত একই রকম থাকে। তবে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাগজ পত্রের প্রয়োজন হতে পারে। প্রথমত বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রে যদি স্বামীর নামে ইটিলিটি বিল থাকে। তাহলে নিজের ঠিকানা প্রমাণের জন্য স্বামীর পরিচয় পত্রের কপি ও বিয়ের সনদের কপি জমা দিতে পারে।
আরো পড়ুনঃ জাতীয় পরিচয়পত্র যেভাবে সংশোধন করবেন
দ্বিতীয়ত যদি মহিলা গৃহিণী হয়ে থাকেন এবং তার নিজের কোন আইন না থেকে থাকে, তাহলে ব্যাংকের আনুপাতিক হারে জমা রাখার শীতের শর্ত দিতে পারে। কিন্তু কাগজ পত্র তালিকা একই থাকে। তৃতীয়ত বিধবা তালাক প্রাপ্ত মহিলাদের ক্ষেত্রে স্বামীর মৃত্যু সনদ বা তালাক নামার কপি অতিরিক্ত কাগজ হিসেবে চাওয়া হতে পারে। বিশেষ করে যদি ঠিকানা পরিবর্তন হয়ে থাকে। ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য মূলত পরিচয় ও ঠিকানা প্রমাণের উপর জোর দিয়ে থাকে, লিঙ্গের উপর নয়।
টিআইএন সার্টিফিকেট এর গুরুত্ব ও তা সংগ্রহ করার পদ্ধতি
ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য কাগজ পত্রের তালিকার মদ্ধে সিআরএম সার্টিফিকেট একটি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনেক সময় বাধ্যতা মূলক নয়। এমন টিআইএন হল আপনার প্রমান হিসেবে একটি স্বীকৃত পরিচয় নম্বর। কারেন্ট একাউন্ট বা বড় অংকের সঞ্চয়ে একাউন্ট এর ক্ষেত্রে এটি প্রায়ই বাধ্যতা মূলক করা হয়। এমনকি কিছু ব্যাংক নির্দিষ্ট পরিবারের বেশি টাকা জমা রাখার ক্ষেত্রেও টিআইএন চেয়ে থাকে। এটি ব্যাংকিং লেনদেনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে এবং সরকারের করনীতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ করে।
টি আই এন সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা খুবই সহজ। আপনি অনলাইনে আবেদন করতে পারেন।
প্রথমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর ওয়েবসাইটে গিয়ে নতুন টিআইএন এর জন্য আবেদন করুন।
আপনার এন আই ডি নম্বর মোবাইলের নম্বর ও অন্যান্য তথ্য দিয়ে ফরম পূরণ করতে হবে।
এরপর আপনার জেলা বা উপজেলা কর অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করতে হবে এবং
প্রয়োজনীয় ফি জমা দিতে হবে।
ঠিকানা প্রমাণের জন্য বিকল্প দলিল সমূহ
ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রের লিস্টের ঠিকানা প্রমাণ একটি চ্যালেঞ্জের বিষয় হতে পারে অনেকের জন্যই। বিশেষ করে যারা বাসা ভাড়া থাকেন। বাড়ি ওনারের নামে ইটিলিটি বিল হয় বা যাদের নিজের নামে কোন বিল নেই। তবে ব্যাংক গুলো এই সমস্যার সমাধান হিসেবে কিছু বিকল্প গ্রহণ করে। প্রথম বিকল্প ভাড়াটিয়া হলে বাড়ি ওনারের সাথে একটি ভাড়ার চুক্তি পত্র এবং বাড়ি ওনারে জাতীয় পরিচয় পত্র কত জমা দেওয়া যেতে পারে।
পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রদত্ত ঠিকানা সার্টিফিকেট। এটি
একটি অত্যন্ত গ্রহণ যোগ্য দলিল। তৃতীয় বিকল্প যদি আপনি আপনার পিতা মাতা বা
স্বামী স্ত্রীর সাথে থাকেন এবং তাদের নামে ইটিলিটি বিল থাকে। তাহলে আপনার
সাথে তাদের সম্পর্ক প্রমাণের দলিল এবং সেই ব্যক্তির পরিচয় পত্র ও
ইটিলিটি বিলের কপি জমা দিতে পারেন।
ব্যাংক একাউন্ট খোলার সময় রেফারি বা পরিচিত ব্যক্তির প্রয়োজনীয়তা
বাংলাদেশের কিছু ব্যাংক এখনো নতুন একাউন্ট খোলার সময় একজন রেফারি বা পরিচিত ব্যক্তির পরিচয় পত্র চেয়ে থাকে। যদিও এই স্মৃতি ধীরে ধীরে কমে আসছে। এই অংশটি নিয়ে অনেকেরই বিভ্রান্তি থাকে। রেফারির মূল কাজ হলো আপনার পরিচয় ও বিশেষত সম্পর্কে ব্যাংকে নিশ্চিত করা। এটি একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিশেষ করে গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য যাচাইয়ের জন্য। তবে সব ব্যাংকই রেফারি চায় না। আবার চাইলেও তা বাধ্যতা মূলক নাও হতে পারে। যদি রেফারির প্রয়োজন হয়, তাহলে তাকে অবশ্যই ওই ব্যাংকের একজন সক্রিয় গ্রাহক হতে হবে।
আরো পড়ুনঃ ক্যানভা প্রো ফ্রিতে এক্টিভ করার সহজ উপায়
শেষ কথাঃ ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তালিকা
ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তালিকা সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার
পরও কিছু করণীয় থাকে। প্রথমত একাউন্ট খোলার আগে ব্যাংক নির্বাচন করুন। আপনার
সুবিধা অনুযায়ী যেই ব্যাংকের শাখা বা এটিএম আপনার বসবাস বা কর্মস্থলের কাছাকাছি
সেই ব্যাংক বাছাই করুন। দ্বিতীয়তঃ অ্যাকাউন্টের ধরন নির্বাচন করুন। আপনি কি শুধু
টাকা জমা রাখবেন নাকি ব্যবসায়িক লেনদেন করবেন। সে অনুযায়ী সঞ্চয়ী বা কারেন্ট
একাউন্ট বেছে নিন। তৃতীয়ত ও ব্যাংকের বিভিন্ন চার্জ ব্যালেন্স ফি এটিএম কার্ড ফি
সম্পর্কে জেনে নিন। যাতে পরে অবাক না হয়ে যান।
অনলাইন লেনদেনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সর্তকতা অবলম্বন করুন। শক্তিশালী ও আলাদা
পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং পাবলিক ওয়াইফাই তে ব্যাংকিং করবেন না। ব্যাংকের
নতুন কোন অফার বা সেবা সম্পর্কে সচেতন থাকুন। ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য কাগজ
পত্রের তালিকার অর্থ করার মতোই সঠিকভাবে একাউন্টস ব্যবহার করাও গুরুত্বপূর্ণ।
আপনার ব্যাংক একাউন্ট শুধু একটি নম্বর নয়, এটি আপনার আর্থিক স্বাধীনতা ও
নিরাপত্তার চাবিকাঠি। তাই এটি যত্ন সহকারে পরিচালনা করুন এবং ব্যাংকিং সুবিধার
সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করুন। আপনার আর্থিক যাত্রা সফল হোক।



এডু ওয়েব আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়। ;
comment url