ইউপিএস ব্যাটারি কত বছর টেকে বাংলাদেশে
সেরা দামে ড্রোন ক্যামেরা কিনুন
ইউপিএস ব্যাটারি কত বছর টেকে বাংলাদেশে সেটা সম্পর্কে আজকে বিস্তারিত ভাবে জানানো হবে। একটা ব্যাটারি কার্যক্ষমতা নির্ভর করে যে সেই ব্যাটারিকে কিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং সেই ব্যাটারির মান কতটা উন্নত ও কার্যক্ষম এবং তাপমাত্রা সহ্য করার ক্ষমতা আছে।
ইউপিএস ব্যাটারি লোডশেডিং হাত থেকে বাঁচার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাধারণত এসব ব্যাটারি তিন থেকে চার বছর পর্যন্ত টিকতে পারে। এটা অনেকটা নির্ভর করে যে কিভাবে এ ব্যাটারিকে কোন পরিবেশে রাখা হচ্ছে এবং কতটা যত্ন নেওয়া হচ্ছে।
পেজ সূচিপত্রঃইউপিএস ব্যাটারি কত বছর টেকে বাংলাদেশে
- ইউপিএস ব্যাটারি কত বছর টেকে বাংলাদেশে
- ইউপিএস ব্যাটারি কি
- ইউপিএস ব্যাটারি কেমন কাজ করে
- ইউপিএস ব্যাটারিকে কতদিন ব্যবহার করা যাবে
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ইউপিএস ব্যাটারি ভূমিকা কি
- ইউপিএস ব্যাটারি কি দ্বারা তৈরি করা হয়
- বাজারে ইউপিএস ব্যাটারি মূল্য ও মান কেমন
- ইউপিএস ব্যাটারি ব্যবহারের সুবিধা কি আছে
- ইউপিএস ব্যাটারি ব্যবহারের অসুবিধা কি আছে
- লেখকের মন্তব্য
ইউপিএস ব্যাটারি কত বছর টেকে বাংলাদেশে
ইউপিএস ব্যাটারি যেটা লোডশেডিং এর বিকল্প হিসেবে কাজ করে। প্রত্যেকটা বাসা বাড়িতে এই ধরনের ইউপিএস ব্যাটারি দেখা যায়। যখন বিদ্যুৎ চলে যায় বিদ্যুতের বিকল্প হিসেবে এই ইউপিএস ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। এই ব্যাটারি রিচার্জেবল হয়ে থাকে। যখন বিদ্যুৎ থাকে তখন এটি চার্জ হয় আর যখন বিদ্যুৎ থাকে না তখন লাইট ও ফ্যানের ব্যাকআপ দেয় এই ইউপিএস ব্যাটারি।
এই ব্যাটারিগুলোর সাধারণত তিন থেকে চার বছর পর্যন্ত ভালো থাকে। তবে এই ব্যাটারী কে কিভাবে রাখা হচ্ছে সেটাও নির্ভর করে যে ব্যাটারি কতদিন টিকবে। যদি ব্যাটারি ঠিকমতো যত্ন নেওয়া হয় ও প্রয়োজনে অতিরিক্ত ব্যবহার না করা হয় তাহলে এই ব্যাটারি অনেক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়। কিন্তু অনিয়ম করলেও ব্যাটারির উপর অতিরিক্ত চাপ ফেললে এর কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে নষ্ট হতে শুরু করে।
এই ইউপিএস ব্যাটারিগুলো সাধারণত লেড দ্বারা নির্মিত হয় ও স্থায়িত্ব আনুমানিক চার বছরের মতন হতে পারে। লেড দ্বারা নির্মিত ব্যাটারিগুলো স্থায়িত্ব এমনই হয়ে থাকে। ব্যাটারি স্থায়িত্ব নির্ভর করে পরিবেশের উপর, তাপমাত্রার উপর, ভোল্টেজের উপর ও ব্যবহার্য মাত্রার ওপর। যদি ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে পুনরায় প্রতিস্থাপন করা যায়। কিন্তু ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেলে বা কোন সমস্যা দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব এটি ঠিক করে নিতে হবে না হলে দুর্ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
ইউপিএস ব্যাটারি কি
ইউপিএস ব্যাটারি কত বছর টেকে বাংলাদেশে এটা জানতে হলে আগে জানতে হবে যে এই ইউপিএস ব্যাটারিটা কি। এই ব্যাটার গুলো সাধারণত বিদ্যুৎ চলে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সেটার ব্যাকআপ দেয়। এসব ব্যাটারিগুলো জেনারেটর থেকে আলাদা। জেনারেটর অনেকগুলো সংযোগে মেকআপ দেওয়ার জন্য কাজে দেয়। কিন্তু ইউপিএস ব্যাটারি গুলা সামান্য কিছু সংযোগের কাজে দেয়। সাধারণত বাসা বাড়িতে এবং ছোট পরিবারের জন্য ইউপিএস ব্যাটারিগুলো বেশ জনপ্রিয়। বিদ্যুৎ চলে গেলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই এই ইউপিএস ব্যাটারি তার সঞ্চিত শক্তি দিয়ে সেই বিদ্যুতের ব্যাকআপ দিয়ে থাকে।
ইউপিএস ব্যাটারি যার পূর্ণরূপ হল আনইন্টারাপটেবল পাওয়ার সাপ্লাই। বিদ্যুৎ চলে গেলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই অটোমেটিক ইউপিএস ব্যাটারিগুলো বিদ্যুৎ ব্যাকআপ সরবরাহ করে। যখন বিদ্যুৎ থাকে তখন ইউপিএস ব্যাটারিগুলো নিজেদের মধ্যে শক্তি সঞ্চয় করে রাখে। তার মানে এই ব্যাটার গুলো তখন চার্জে থাকে। যখন বিদ্যুৎ চলে যায় তখন সেই সঞ্চিত শক্তি বা চার্জ দিয়ে সেই বিদ্যুতের ব্যাকআপ সরবরাহ করে। গ্রীষ্মকালে বারবার লোডশেডিং হয় সে ক্ষেত্রে এই ইউপিএস ব্যাটারিগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ইউপিএস ব্যাটারি কেমন কাজ করে
এই ইউপিএস ব্যাটারিগুলো তার সঞ্চিত শক্তি বা চার্জ দিয়েই বিদ্যুতের ব্যাকআপ সরবরাহ করে। তাই যতক্ষণ ব্যাটারিতে চার্জ থাকবে ততক্ষণ এতে বিদ্যুতের সরবরাহ করতে পারবে। কিন্তু যদি বেশিক্ষণ ব্যাকআপ সরবরাহ করার প্রয়োজন হয় তার সঞ্চিত চার্জ থাকার পরিমান সাপেক্ষে তাহলে আস্তে আস্তে যেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে সেটির পাওয়ার কমে যায়। যদি ইউপিএস এর কারণে লাইট জ্বালানো থাকে তাহলে লাইটের আলো স্থিমিত হয়ে যায়।
ভালো মানের ইউপিএস ব্যাটারি গুলো দীর্ঘসময় ধরে ব্যাকআপ দেয়। তাই ইউপিএস ব্যাটারি কত বছর টেকে বাংলাদেশে এটা অনেকটা নির্ভর করে ব্যাটারি কার্যক্ষমতা ও মানের উপর। ছোট বাসা বাড়ি ও ছোট পরিবারের জন্য ইউপিএস ব্যাটারি দিয়ে বিদ্যুতের ব্যাকআপ দেওয়াটা উপযুক্ত। এই ইউপিএস ব্যাটারি গুলো সাধারণত ইনভার্টার মানে এসি কারেন্ট হিসেবে কাজ করে। এটি ডিরেক্ট কারেন্ট কে অল্টারনেটিভ কারেন্টে রূপান্তর করে। মূলত সঞ্চিত চার্জ দিয়ে বিদ্যুতের ব্যাকআপ দেয়।
ইউপিএস ব্যাটারিকে কতদিন ব্যবহার করা যাবে
যেহেতু এই ব্যাটারিগুলো লেড দ্বারা নির্মিত তাই এগুলো সাধারণত তিন থেকে চার বছর পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে। তবে অনেক সময় ব্যাটারিগুলো পাঁচ বছর পর্যন্ত চলে যায়। এগুলো আসলে নির্ভর করে কি পরিবেশে ব্যাটারি গুলো আছে। যতদিন ব্যাটারিগুলো ভালো থাকবে ততদিন এগুলো ভালোভাবে ব্যবহার করা যাবে। তবে ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেলে যত দ্রুত সম্ভব ঠিক করা উচিত। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আগুন ধরে যেতে পারে। তবে এর ব্যবহারের উপরও ব্যাটারি স্থায়িত্বকাল নির্ভর করে।
আরও পড়ুনঃ কিভাবে ভাল ল্যাপটপ কিনবেন জেনে নিন
যদি বারবার বিদ্যুৎ যায় আর বারবার এটিকে ব্যাকআপ দেওয়ার প্রয়োজন হয় তখন এর কার্যক্ষমতা একটু কমে যেতে শুরু করে। এছাড়া বারবার ভোল্টেজ আপডাউন ও বারবার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তবে ব্যাটারি যদি সব সময় চার্জে থাকে এতে কোন সমস্যা নেই।ইউপিএস ব্যাটারি কত বছর টেকে বাংলাদেশে এটি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেল।
বিদ্যুৎ চলে গেলে ইউপিএস ব্যাটারি ভূমিকা কি
ইউপিএস ব্যাটারি বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ব্যাকআপ দেওয়ার জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। এই ব্যাটারিগুলো ডিরেক্ট কারেন্ট কে এসি কারেন্টে রূপান্তর করে ব্যাক আপ দিয়ে থাকে। যখন হঠাৎ করে বিদ্যুৎ চলে যায় বা গরমকালে লোডশেডিং হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে তখন এটি খুবই কার্যকর ভাবে মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। মূলত ইউপিএস ব্যাটারি হলো একটি রিচার্জেবল ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা বিদ্যুৎ থাকাকালীন চার্জ হতে থাকে। এরপর বিদ্যুৎ চলে গেলে সেই সঞ্চিত চার্জ দিয়ে ব্যাকআপ দেয়।
যারা কম্পিউটারে কাজ করে তারা এর গুরুত্ব অনেক বুঝতে পারবে। যখন বিদ্যুৎ চলে যায় তখন এটি ব্যাকআপ ভাবে পাওয়ার সাপ্লাই দেয়। গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও মিটিং এর সময় যদি হঠাৎ করে কারেন্ট চলে যায় তখন সঙ্গে সঙ্গে এটি চালু হয়ে বিদ্যুতের ব্যাকআপ হিসেবে কাজ করে। যার জন্য বিদ্যুৎ চলে গেলেও বিশেষ কোনো বিরম্বনার মধ্যে পড়তে হয় না কারণ এটি সঙ্গে সঙ্গে চালু হয়ে যায়।
ইউপিএস ব্যাটারি কি দ্বারা তৈরি করা হয়
ইউপিএস এর ব্যাটারি মূলত ধাতব পদার্থ দিয়ে তৈরি করা হয়। কারণ এই ধাতব পদার্থগুলো বিদ্যুৎ সঞ্চয় করতে বেশি সাহায্য করে। বাংলাদেশে যে ব্যাটারিগুলো বেশি চলে সেটা হল লেড অ্যাসিড ব্যাটারি আরেকটি হলো লিথিয়ামের ব্যাটারি। লেড অ্যাসিড ব্যাটারিগুলো আসলে নির্মিত হয় সিসা দিয়ে। সিসা ব্যবহার করার কারণে এটির সহজে বিস্ফোরণ হয় না ও চার্জ ধরে রাখতে পারে। এ ছাড়া সালফিউরিক অ্যাসিড ব্যবহার করা হয়। এই ব্যাটারিগুলোর তৈরি করতে খরচ কম হয় তাই এগুলো কিনতে সাশ্রয় হয়।
এই ব্যাটারিগুলোর প্রধান অংশগুলো হচ্ছে ইনভার্টার ও রেকটিফায়ার। ইনভার্টার মূলত ডিসি কারেন্ট কে এসি কারেন্টের রুপান্তর করে। আর রেকটিফায়ার হল অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে সেটাকে নিয়ন্ত্রণ করে যাতে আগুন ধরে যাওয়ার সম্ভাবনা না থাকে। লেড অ্যাসিড ব্যাটারি গুলো ব্যবহার করতে অনেক সাশ্রয় কিন্তু লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারিগুলো মান ভালো ও এগুলো অনেক দিন পর্যন্ত চলে।
বাজারে ইউপিএস ব্যাটারি মূল্য ও মান কেমন
এই ইউপিএস ব্যাটারি গুলোর মানে উপরে ও পাওয়ার সাপ্লাই এর পরিমাণ এর উপরে নির্ভর করে এটির দাম কেমন হবে। ইউপিএস ব্যাটারিগুলোর বিভিন্ন সাইজ রয়েছে যেমন ছোট ব্যাটারি যেগুলো সেভেন থেকে নাইন এ এইচ মধ্যে থাকে সেগুলো সেগুলোর মূল্য দুই হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। আবার মাঝারি সাইজের ব্যাটারি যেগুলো সাধারণত ১০০ এ এইচ এর মধ্যে হয়ে থাকে সেগুলোর মূল্য পরে প্রায় বিশ হাজার টাকার মধ্যে। সব থেকে বড় ও দামি যেটা ২৫০ এ এইচ এর মধ্যে হয়ে থাকে সেটা ক্রয় করতে গেলে প্রায় ৩০ হাজার টাকার মত গুনতে হবে।
এই এ এইচ এর উপরে নির্ভর করে ব্যাটারির কার্যক্ষমতা কেমন। এ এইচ এর মান যত বেশি হবে ব্যাটারির কার্যক্ষমতা তত ভালো হবে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ব্যাটারি পাওয়া যায়। পর্যাপ্ত গবেষণা করে ও নিজের পছন্দমত যে কোন একটি কোম্পানির ব্যাটারি কিনে নিতে হবে। তবে অবশ্যই ব্র্যান্ডের ব্যাটারি কিনতে হবে। কোন লোকাল জায়গার ব্যাটারি কিনলে সেগুলোর মান খারাপ হতে পারে। খরচ বেশি হলেও নিরাপত্তা প্রধান শর্ত।ইউপিএস ব্যাটারি কত বছর টেকে বাংলাদেশে এটাও কিছুটা এ এইচ এর উপর নির্ভর করে।
ইউপিএস ব্যাটারি ব্যবহারের সুবিধা কি আছে
এই ধরনের ব্যাটারি ব্যবহার করা সব থেকে বড় সুবিধা হল যে বিদ্যুৎ চলে গেলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে এটি ব্যাকআপ দিতে থাকে। যার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কোন কাজ করলেও বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কারণে ক্ষতি হয় না। এছাড়া এতে সংযোগ দিতে কোন প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয় না। বিদ্যুৎ চলে গেলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাকআপ দেওয়া শুরু করে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই। এছাড়া বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার আগে যদি ভোল্টেজ ওঠা নামা করে তাহলে সে ওই ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, ডিভাইসের কোন ক্ষতি হতে দেয় না।
আরও পড়ুনঃ যেসব বিষয় খেয়াল রেখে এন্ড্রয়েড মোবাইল কেনা উচিত
এছাড়া চার্জ দেওয়ার জন্য ম্যানুয়াল এর প্রয়োজন হয় না। বরং এইসব ব্যাটারিগুলো অটোমেটিক নিজেকে চার্জ করে দেয়। বন্ধ হওয়ার প্রয়োজন হলে অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যায়। তাই চার্জ দেওয়ার বিষয়ে এই ব্যাটারির উপর খেয়াল রাখার প্রয়োজন নেই। তবে যদি বারবার বিদ্যুৎ চলে যায় ও বারবার ব্যাকআপ দেওয়ার চেষ্টা চলে তখন কিছুটা সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।
কারণ বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কারণে এটি ভালো মত চার্জ হতে পারেনা। এছাড়া লেড এসিড ব্যাটারিগুলো পুনরায় ব্যবহার করা যায় তাই পরিবেশের কোন ক্ষতি করে না। এছাড়াও জরুরি পরিস্থিতিতে এটি সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
ইউপিএস ব্যাটারি ব্যবহারের অসুবিধা কি আছে
ইউপিএস ব্যাটারি বিদ্যুতের ব্যাকআপ দিয়ে যেভাবে সাহায্য করে কিন্তু যেহেতু এটি একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস তাই এর কিছু অসুবিধা থাকতে পারে। এই ব্যাটারিগুলোর সাধারণত তিন থেকে চার বছর পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে তাই দীর্ঘ মেয়াদে এই ব্যাটারিগুলো ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। এছাড়া ব্যাটারির উপর যদি বেশি চাপ পড়ে তাহলে ব্যাটারি গরম হয়ে মোটা হয়ে যেতে পারে। যদি সেই সময় মেরামত না করা হয় তাহলে সেখান থেকে বিস্ফোরণ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এছাড়া বেশি ভোল্টেজ ওঠা-নামা করলে এর কার্যক্ষমতা কমে যায়।
লেখকের মন্তব্য
ইউপিএস ব্যাটারি কত বছর টেকে বাংলাদেশে সেটা সম্পর্কে আজকে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো। সেই সাথে এই ব্যাটারি কি দিয়ে নির্মিত এবং কিভাবে ব্যবহার করা যায় ও এর সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করা হলো। কিন্তু ব্যাটারি ভালো থাকতে গেলে অবশ্যই খুব যত্ন সহকারে ব্যবহার করতে হবে। অযথা চাপ প্রয়োগ করলে এটি খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে নতুন ব্যাটারি কিনতে আবারো বাজেট ঠিক করা লাগে। তাই এটিকে যত্ন সহকারে ব্যবহার করা উচিত। 251118



এডু ওয়েব আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়। ;
comment url