মে মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি
মে দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
মে মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি সম্পর্কে আজকে বিস্তারিতভাবে জানানো হবে। এটি বছরের পঞ্চম তম মাস এবং এই মাসেই এপ্রিলের মতন তীব্র আকারের গরম পড়া শুরু হয় যা পরিবেশের পশু পাখি থেকে শুরু করে মানুষের নাভিশ্বাস বেরিয়ে যায়।
এই মাসটা হয় মূলত গ্রীষ্মকালের এবং প্রচন্ড গরম ও রোদ থাকে। গ্রীষ্মকালীন এই সময়ে বাজারে অনেক নতুন নতুন ফল দেখা যায় আবার প্রচন্ড গরমে নগর জীবন তপ্ত হয়ে যেন অগ্নিপরীতে পরিণত হয় ও সূর্যের তাপে জনজীবন যেন ওষ্ঠাগত হয়ে পড়ে।
পেজ সূচিপত্রঃমে মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি
- মে মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি
- মে দিবস কি
- মে মাসের ঐতিহাসিক দিনগুলো কি
- মে মাসের সরকারি ছুটির দিনগুলো কি
- মে মাসে কেমন আবহাওয়া থাকে
- মে মাস কি ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত
- মে মাসের সুবিধা ও অসুবিধা
- মে দিবসের ইতিহাস কি
- মে মাসের বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো
- লেখকের মন্তব্য
মে মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি
মে মাস যেটাকে বছরে পঞ্চম তম মাস বলা হয়। এপ্রিল মাসের পরেই আসলো হল মে মাস যেটা
সাধারণত একত্রিশ দিবসের হয়ে থাকে। এই মাসে বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাস পড়ায় তীব্র
রকমের গরম পড়ে। এপ্রিল মাস থেকে গরম পড়া শুরু হয় আর মে মাসে এসে চরম পর্যায়ের
গরম পড়ে। এ সময় তাপমাত্রা প্রায় ৪০° সেন্টিগ্রেড কাছাকাছি থাকে। গরম ও তীব্র
তাপদাহে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে। এই গরমের জন্যই অনেকে হিট স্ট্রোক করে অসুস্থ
হয়ে পড়ে। আবার তীব্র রোদের জন্য মাইগ্রেনের ব্যথা বেড়ে যায়।
সাধারণত এই মাসের তীব্র গরমের জন্য অনেক মানুষই অসুস্থ হয়ে পড়ে। এই সময়
বিদ্যুতের চাপ বেড়ে যায় ও ঘনঘন লোডশেডিং হতে শুরু করে। এই মাসের এক তারিখ হচ্ছে
শুক্রবার হয় আর ৩১ তারিখ হয় রবিবার। সাধারণত বিশেষ কোন সরকারি ছুটি এই মাসে
বারবার পাওয়া যায় না শুধু মে দিবস উপলক্ষে পহেলা মেতে সরকারি ছুটি ঘোষণা
করা হয়েছে। এই মাসের শেষের দিক থেকে ও জুন মাসের প্রথম দিক থেকে শুরু হয়ে যায়
বর্ষাকাল। তবে মাঝে মাঝে বেশ বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা যায়।
মে মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি
এছাড়াও বাংলায় রয়েছে সেটা হল
২০২৫ সালেও এই মে মাসে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফেনী, সিলেট সহ অনেক জায়গায় বন্যা হয়েছে। যেটুকু বৃষ্টি হয় তা প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাবে হয়ে থাকে।এই সময় আবহাওয়া অনেক উষ্ণতা থাকে ও প্রচন্ড তাপদাহ শুরু হয়। এই মাসে তীব্র রোদের কারণে অনেকে বাহিরে ছাতা ব্যবহার করে।গ্রামীণ এলাকায় এই মাস থেকে অনেক শস্য রোপন করা হয়। প্রচন্ড গরমে মাটি ফেটে যাওয়ার মতন লক্ষণ দেখা যায়।
মে দিবস কি
মে মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি জানার পাশাপাশি এটাও জেনে নিতে হবে যে মে মাসে প্রথম তারিখে কি দিবস আসে। মে মাসের প্রথম তারিখে মে দিবস আসে। এই মে দিবস মূলত শ্রমিকদের আন্দোলনের ফল। এটি শ্রমিকদের সংগ্রামের প্রতীক। তাই পুরো বিশ্বব্যাপী এই দিন শ্রমিকদের সংগ্রামের প্রতি সম্মান রেখে প্রত্যেকটা দেশের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। শ্রমিক দিবসকেই মে দিবস বলা হয়। শ্রমিকরা অনেক কষ্ট সহ্য করে এই দিনে তাদের অধিকার আদায়ের সফল হয়।
যেহেতু শ্রমিকরা তাদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে মে মাসের প্রথম তারিখেই সফল হয়েছিল তাই তাদের এই আন্দোলন ও সংগ্রামের প্রতি সম্মান রেখে এই দিবসকে শ্রমিক দিবসের পাশাপাশি মে দিবস বলা হয়। বর্তমানে আমাদের প্রত্যেকেরই কর্ম ঘন্টা হচ্ছে ৮ ঘণ্টা করে। কিন্তু এই আট ঘন্টা সময়সীমা আনতে অনেক শ্রমিককে কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। এই অধিকার আদায়ের জন্য অনেক শ্রমিক তার জীবন দিয়ে দিয়েছেন। ঠিক এই মে দিবসের কারণেই এখন আমাদের কর্ম ঘন্টা হচ্ছে ৮ ঘণ্টা করে।
মে দিবসের ঐতিহাসিক দিনগুলো কি
মে মাসের ঐতিহাসিক দিনগুলোর মধ্যে একটি হলো এই মে দিবস। প্রতিবছরই সকল শ্রমিকদের
এই আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বিশ্বব্যাপী এই মে দিবস পালিত হয়।
প্রত্যেকটা দেশের সরকার এই দিনের মর্যাদা রাখার জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে এবং
শ্রমিকদেরকে বিশেষভাবে সম্মানিত করেছে। এছাড়াও ৩ মে রয়েছে আন্তর্জাতিক
গণমাধ্যম দিবস যেটি মিডিয়ার লোকদের জন্য বেশ সম্মানের দিন। এছাড়াও আটই মে তে
রয়েছে আন্তর্জাতিক রেড ক্রিসেন্ট দিবস।
আরও পড়ুনঃ
মে দিবসের অনুচ্ছেদ রচনা সম্পর্কে জেনে নিন
এছাড়া ১৫ ই মেতে রয়েছে বিশ্ব পরিবার দিবস ও ১৭ ই মেতে রয়েছে আন্তর্জাতিক
টেলিযোগাযোগ দিবস। ২৫শে মেতে রয়েছে বাংলাদেশের শ্রদ্ধেয় জাতীয় কবি ও বিদ্রোহী
কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী। ২৩ ওই মেতে রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় নৌ
নিরাপত্তা দিবস ও ৩১ই মেতে রয়েছে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস যে দিবসের তামাক গ্রহণের
ভয়াবহতা ও এ ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি হয়। এছাড়াও ২৫শে
মেতে কাজী নজরুল ইসলামের শ্রদ্ধার জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মে মাসের সরকারি ছুটির দিনগুলো কি
২০২৬ সাল এর মে মাসটা মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য অনেক বিশেষ কারণ এই মাসের
শেষের দিকে মানে ২৮ তারিখে পবিত্র ঈদুল আযহা পালিত হবে। তবে এটি চাঁদ দেখা
সাপেক্ষে নির্ভরশীল কিন্তু ঈদুল আযহা মে মাসের শেষের দিকেই পালিত হবে। এটি
মুসলিমদের জন্য বেশ আনন্দের। ঈদুল আযহা উপলক্ষে এক সপ্তাহের ছুটি পাওয়া যায়।
এছাড়াও রয়েছে মে দিবসের জন্য পহেলা মে ছুটি।
যেহেতু ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আযহা ও যাপিত হবে তাই ঐদিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা
হয়েছে। সেই সাথে তার পূর্বে ২৬ ও ২৭ মে ঈদুল আযহা উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা
হয়েছে। ঈদুল আযহা পরবর্তী ২৮,২৯,৩০ মে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তাহলে বলা
যায় যে মে মাসে ঈদুল আযহা উপলক্ষে সরকারি ছুটি দীর্ঘ এক সপ্তাহ পাওয়া
যাচ্ছে।
মে মাসে কেমন আবহাওয়া থাকে
মে মাসের আবহাওয়া থাকে তীব্র গরম। কারণ আমরা জানি যে ১৪ই এপ্রিল থেকে বৈশাখ
মাসের আগমন হয়। আর বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাসের সম্মেলনে তৈরি হয় গ্রীষ্মকাল। সেই
হিসেবে মে মাস পরে গ্রীষ্ম ও জৈষ্ঠের মধ্যে। তাই এই সময় প্রচন্ড গরম পড়ে।
তাপমাত্রা প্রায় 40 ডিগ্রির কাছাকাছি চলে যায়। সেই সাথে শুরু হয় তীব্র তাপদাহ।
এই তাপদাহের কারণে জনজীবন প্রায় ওষ্ঠাগত হয়ে পড়ে। এ সময়ে রোদের তেজ অনেক বেশি
থাকে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আবহাওয়ার আদ্রতা অনেক বেশি থাকে।
তবে সৌদি আরবে এই সময়ে আবহাওয়া থাকে প্রায় ৫০ ডিগ্রী। যার জন্য সেই আবহাওয়ায়
আদ্রতা থাকতে পারে না এবং প্রচন্ড গরম লাগলেও ঘাম হয় না। তীব্র তাপদাহের কারণে
অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ঘরের মধ্যে এসি ছাড়া থাকা যেন অসম্ভব হয়ে যায়। কিন্তু
এই প্রচন্ড গরমে পানি না খেলে শরীর আরো খারাপ হতে শুরু করে। এই গ্রীষ্মকালে
লোডশেডিং হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। এজন্য যাদের ঘরে এসি থাকে না গরমের
জন্য বিভিন্ন টোটকা ব্যবহার করে শীতল করার জন্য।
মে মাস কি ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত
আবার মতে মে মাস ভ্রমণের জন্য তেমন একটি উপযুক্ত নয়। কারণ মে মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি অনুযায়ী দেখলে বোঝা যায় যে এই সময় বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাস থাকে যেটা মূলত গ্রীষ্মকাল। সেইসাথে শুরু হয় তাপ দাহ। তাই এই সময় ভ্রমণ করতে গেলে শরীর আরো বেশি খারাপ হয়ে যাবে। গরমে ও ঘামে প্রচন্ড অস্বস্তি অনুভব হবে যার জন্য ভ্রমণ করেও মজা পাওয়া যাবে না। তবে বিশেষ কিছু জায়গা রয়েছে যেখানে গরমে ঘুরতে যাওয়ার জন্য উপযোগী।
যেমন এর তীব্র গরমে ঘুরতে যাওয়া যেতে পারে কক্সবাজারে। সমুদ্রের বিশালতার মধ্যে জলকেলি করলে শরীরে কিছুটা শান্তি অনুভব করা যাবে। তবে অবশ্যই সূর্যের আলো থেকে নিরাপদ থাকার জন্য বিশেষ ক্রিম ব্যবহার করতে হবে যাকে সানস্ক্রিন বলা হয়। এছাড়াও এই সময়ে ঘুরতে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন সুইমিং পুল পরামর্শ দেওয়া হয়। কারোর প্রচণ্ড তাপদাহের মধ্যে ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে শরীরে খুবই আরামদায়ক ও প্রশান্তি অনুভব হয়।
মে মাসের সুবিধা ও অসুবিধা
মে মাসে থাকাকালীন কিছু সুবিধা ও অসুবিধার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। সব থেকে অসুবিধা
হলো এটি তীব্র গরম ও তাপদাহ। তবে এই মাসের কিছু সুবিধা রয়েছে যেমন এই মৌসুমটি
আম, কাঁঠাল খাওয়ার জন্য একদম উপযোগী। তাই এই সময়ে টাটকা মৌসুমী ফল পাওয়া যায়।
গ্রামের দিকে গেলে এর আনন্দ আরো শতগনে উপভোগ করা যায়। পুকুরে গোসল করা, প্রকৃতির
শীতল হাওয়ায় প্রাণ জুড়ানো সবমিলিয়ে গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে গ্রামে কাটানোর
জন্য উপযুক্ত।
তবে এই মাসের তীব্র গরমের জন্য শরীরের সাথে সাথে ত্বকের অবস্থা ও খারাপ হয়ে যেতে
শুরু করে। যারা এ সময় পানি পান করে না তারা ডিহাইড্রেশনে ভোগে ও রক্তচাপ কমে
গিয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। এছাড়া মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হয় এই তীব্র গরম থেকে।
প্রতিবছর হিট স্ট্রোকে মানুষ মারা যাওয়ার মতন ঘটনা দেখা গিয়েছে।
মে দিবসের ইতিহাস কি
মে মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে আমি ইতোমধ্যেই মে দিবস কি সেটা সম্পর্কে আলোচনা করেছি। কিন্তু এই মে দিবসের ইতিহাস কি সেটা নিয়ে এখন আলোচনা করব। যেহেতু এটা শ্রমিক এর আন্দোলন তাই এর পেছনে একটি করুন ইতিহাস রয়েছে। এখান থেকে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ বছর আগে আমেরিকায় শ্রমিকদেরকে যথেষ্ট পারিশ্রমিক ও সম্মান দেওয়া হতো না। তখন তাদের কাজ করার জন্য এই কর্ম ঘন্টার নিয়মও ছিল না।
আরও পড়ুনঃ মে দিবসের সবজি চাষ পদ্ধতি কি হবে জানো
মালিকরা তাদেরকে দিয়ে ইচ্ছামত কাজ করিয়ে নিত এবং সেই সময় কখনো ১৪ থেকে ১৫
ঘণ্টা হয়ে যেত। তার বিনিময়ে পারিশ্রমিক দেওয়া হতো সামান্য। তাই এত কর্মচারী
সহ্য করতে না পেরে তখন শ্রমিকরা আন্দোলন শুরু করে এটির বিরুদ্ধে। আন্দোলনের এক
পর্যায়ে কিছু শ্রমিক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এটি বিশ্ববাসীর নজর কারে তাই তখন
থেকেই শুরু হয় এই কর্ম ঘন্টার নিয়ম। তাদের এই আত্মত্যাগের বিনিময়ে পালিত হয়
মে দিবস।
মে মাসের বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো
মে মাসের বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেমন এই মাসে অনেক নতুন ফুল ও ফসল ফলতে শুরু
করে। এই সময় মৌসুমি ফল যেমন আম, জাম, কাঁঠাল ইত্যাদি নানারকম ফল পাওয়া যায়। এই
মাসের প্রতীক হল পান্না যেটা ভালোবাসা ও সফলতার আহবান নিয়ে আসে। এই মে মাসে
শ্রমিকদের আত্মত্যাগের ঘটনা পাওয়া যায়। যারা গ্রীষ্মকালে ভালোবাসে তাদের জন্য
এই মে মাস খুবই পছন্দের হবে। গ্রীষ্মকালীন ছুটি হিসেবে অনেকেই সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে
যায়।
লেখকের মন্তব্য
যারা গরম কাল অনেক ভালোবাসে এবং গরম কাল তাকে উপভোগ করে আবার মতে তাদের কাছে মে
মাস খুবই পছন্দের হবে। মে মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি অনুযায়ী
সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে যাওয়া যায় এই সময়। তবে প্রচন্ড গরম ও তাপদাহ থাকার কারণে
নিজের সুস্থতার জন্য অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে
এবং বাহিরে গেলে সানস্ক্রিন লাগাতে হবে। বাইরে থেকে এসে ঠান্ডা পানি খাওয়া
যাবে না। প্রচন্ড রোদের মধ্যে গেলে ছাতা ব্যবহার করতেই হবে। 251118





এডু ওয়েব আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়। ;
comment url