জুন মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি

জিলহজ মাসের গুরুত্ব সম্পর্কে কি

জুন মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি সম্পর্কে আজকে বিস্তারিতভাবে জানানো হবে। এতে বছরের ষষ্ঠতম মাস এবং এর মধ্য দিয়েই অর্ধবছর সম্পন্ন হয়ে যায় কারণ বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী জুন মাস হচ্ছে মে মাসের পর ষষ্ঠতম মাসে পড়ে যায়।

জুন-মাসের-ক্যালেন্ডার-২০২৬-বাংলা-ও-ইংরেজি

এছাড়াও এই জুন মাসের একটি বিশেষ দিনে হয় বছরের সবথেকে ছোট দিন। অর্ধ বছর সম্পন্ন হওয়ায় অনেকেই এই বছরকে হাফ ইয়ারলি সহ বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে আখ্যা করে। এই মাসের মাঝের দিক থেকে শুরু হয়ে যায় বর্ষাকাল এবং প্রচুর বৃষ্টি হয়।

পেজ সূচিপত্রঃজুন মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি

জুন মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি

জুন মাস হল বছরের ষষ্ঠতম মাস যা মে মাসের পরেই আসে জুন মাস গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী।এই মাসের মধ্য দিয়েই ছয় মাস মানে অর্ধ বছর সম্পন্ন হয়। জুন মাস মূলত হয় বর্ষাকাল মানে জৈষ্ঠ মাসের শেষে আসার ও শ্রাবণ মাসের মধ্যে পড়ে এই জুন মাস। ১৪ই জুন হয় আষাঢ় মাস যেখান থেকে বর্ষ গ্রীষ্মকালের বিদায় ঘটিয়ে বর্ষাকালের আগমন শুরু হয়। বর্ষাকালের আগমনের প্রভাবে আকাশ প্রায় মেঘলা থাকে ও গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি পড়ে। তবে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয় শ্রাবণ মাসে।

জুন মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি

আর বাংলাটাই হলো যেটা

জুন মাসে ১ তারিখ পরে সোমবারে আর ৩০ তারিখ পরে মঙ্গলবারে। তার মানে হচ্ছে এই জুন মাস ৩০ দিবসের হয়ে থাকে। এই সময় গাছ লাগানোর জন্য খুব ভালো আবহাওয়া পাওয়া যায়। জুন মাসে তেমন কোন সরকারি ছুটি থাকে না। যেহেতু এটা অর্ধ-বছর সম্পন্ন করে তাই অধিকাংশ সময় এই মাসটি পুরোপুরি কর্মব্যস্ততায় কেটে যায় সবারই। পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে যারা বসবাস করে তাদের জন্য এই মাস হল গ্রীষ্মকাল। আর যারা পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে বসবাস করে তাদের জন্য এই মাসটি হলো শীতকাল।

অর্ধবছরের এই মাসে বর্ষাকালের প্রভাবে প্রকৃতি যেন সতেজ হয়ে ওঠে। প্রকৃতি দেখলেই মনটা ভরে যায় ও ফুরফুরে হয়ে ওঠে। মাঝে মধ্যে কিছু প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা ঝড় বৃষ্টি হতে পারে। তবে এই মাসটাতে বৃষ্টির পাশাপাশি একটি ভ্যাপসা গরমের মতন আবহাওয়া থাকে। এছাড়াও একুশে জুন এই তারিখে একটি বিশেষ ঘটনা ঘটে সেটা হল ওইদিন কে বড় দিন এর সময় সীমা বলা হয়। অর্থাৎ দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত এই একুশে জুনেই থাকে।

সবচেয়ে বড় সময়সীমার দিন কত তারিখে পড়ে

জুন মাসের এই একুশ তারিখে সবচেয়ে দীর্ঘতম দিন পাওয়া যায় এবং ক্ষুদ্রতম রাত পাওয়া যায়। দক্ষিণ গোলার্ধে বসবাসকারী দেশগুলো এই দিনে দীর্ঘতম দিন পেয়ে থাকে। এশিয়া মহাদেশের মধ্যে দেশ যেমন বাংলাদেশ এই দিনে দীর্ঘতম দিন পেয়ে থাকে যা প্রায় বিকাল ৭ঃ৪৫ পর্যন্ত থাকে। ওইদিকে আবার ভোর হওয়া শুরু হয় চারটার পর থেকে। তার মানে এই দিনে সূর্যের আলো সর্বোচ্চ দীর্ঘ সময় ধরে এই গোলার্ধের দিকে আলো প্রদান করে। এছাড়াও একুশে ডিসেম্বর বছরের দীর্ঘতম রাত পাওয়া যায়।

জুন-মাসের-ক্যালেন্ডার-২০২৬-বাংলা-ও-ইংরেজি

২১ তারিখে সূর্য সবথেকে ধীরে ধীরে ডুবতে শুরু করে ও সবথেকে তাড়াতাড়ি উদিত হয় যেটা হল ভোর চারটার পর থেকে। আমরা এই দিনে প্রায় ১৪ ঘণ্টা দিনের আলো পেয়ে থাকি। তবে এই দিনটাতেও বেশ গরম শুধু তাই নয় একটা ভ্যাপসা গরম থেকেই যায়। দিনের আলোর সব থেকে দীর্ঘক্ষণ থাকার কারণে ঐদিন তাপমাত্রা অনেক বেশি থাকে ও আবহাওয়া অনেক উষ্ণ ও আদ্রতা বেশি থাকে। ঐদিন স্বাভাবিক দিনের তুলনায় তাপমাত্রা কিছুটা বেশি থাকে।

জুন মাসের ঐতিহাসিক দিনগুলো কি

জুন মাসে বেশ কিছু দিবস যেগুলো বিভিন্ন ধারণার উপরে পালিত হয়। যেমন পহেলা জুন পালিত হয় দুগ্ধ দিবস হিসেবে। এছাড়াও বাংলাদেশ ঐতিহাসিক দিন হিসেবে ৭ই জুন ৬ দফা দিবস পালিত হয়। এর মানে গণঅভ্যুত্থানের দলিল হিসেবে এই দিনেই ৬ দফা দাবি নিয়ে পাকিস্তানের সামনে পেশ করা হয়। তবে পাকিস্তানিদের মেনে না নেওয়ার কারণে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম। এছাড়াও আটই জুন পালিত হয় আন্তর্জাতিক সমুদ্র দিবস। সেই সাথে পালিত হয় মস্তিষ্কের টিউমার দিবস।

এই মাসে আরেকটি বিশেষ দিন রয়েছে সেটা হল বছরের সবথেকে দীর্ঘতম দিন যেটা একুশে জুন সংঘটিত হয়। এছাড়া পাঁচই জুন আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালিত হয় যেখানে পরিবেশকে সুন্দর রাখতে বিভিন্ন সচেতনতা মূলক প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। জুন মাস আসলে ঐতিহাসিক দিক থেকে তেমন একটা গুরুত্বপূর্ণ নয় বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে। কিন্তু বিভিন্ন কর্মসূচি মাধ্যমে এই মাসটা উদযাপন করা হয়।

তাই জুন মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি দেখলে বোঝা যায় যে কত ঐতিহাসিক দিন এই মাসে অবস্থান করছে

জুন মাসের আবহাওয়া কেমন থাকে

জুন মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি সম্পর্কে জানতে গেলে বোঝা যায় যে এই মাসটা মূলত গ্রীষ্মকাল ও শেষের দিক থেকে বর্ষাকাল শুরু হয়। মানে হচ্ছে প্রথমদিকে গ্রীষ্মকাল থাকে কিন্তু এই মাস শেষের দিকে বর্ষাকালের প্রারম্ভ ঘটে। বর্ষাকাল থাকলেও বৃষ্টির পরে একটি ভ্যাপসা গরম বিরাজ করে। এই ভ্যাপসা গরম এর কারণ হচ্ছে বৃষ্টির পরে বাতাসের আদ্রতা অনেক বেশি থাকে। এর মানে হচ্ছে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকার কারণে অনেক ভাপসা গরম থাকে।

আরও পড়ুনঃ পঞ্জিকা বিবাহের তারিখ সম্পর্কে জেনে নিন

এই ভ্যাপসা আবহাওয়ার কারণে শরীরে অনেক ঘামের সৃষ্টি হয়। ঘরে এবং বাহিরে খুবই বিরক্তিকর একটা গরম আবহাওয়া থাকে। প্রচন্ড ঘামের সৃষ্টি হয় আর যার কারণে শরীর থেকে প্রচুর পানি বের হয়ে যায়। তাই এই সময়ে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি না খেলে পানি শূন্যতায় ভোগার সমস্যা হয়। এছাড়াও এই মাসটি বৃক্ষ রোপন করার জন্য উপযুক্ত আবহাওয়া থাকে। শেষের দিক থেকে মেঘ করে ও গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হয়। গ্রীষ্ম থেকে বর্ষা আসার কারণে ঋতু পরিবর্তনের জন্য জ্বর, সর্দি কাশি ইত্যাদি হতে পারে।

জুন মাস ভ্রমণ করতে যাওয়ার জন্য কি উপযুক্ত

আসলে জুন মাস যেহেতু বছরের অর্ধেক তামাস সম্পন্ন করে তাই এই মাসে তেমন কেউ ঘুরতে যায় না। বিশেষ কোনো উপলক্ষ ছাড়া কেউ তেমন ঘুরতে যায় না দূরে কোথাও। এই সময়টাতে প্রচুর কর্মব্যস্ততার মধ্যে কাটাতে হয় সাধারণ মানুষদের। তবে বিশেষ কিছু জায়গা রয়েছে সেখানে সময় পেলে ঘুরলে ভালো লাগবে। যেমন পাহাড়ে মানে সীতাকুন্ডের দিকে, যেখানে প্রচুর পাহাড়ে ঝরনা পাওয়া যাবে। আর বৃষ্টির সময় গেলে এই পাহাড়ি ঝরনার আসল সৌন্দর্যগুলো উপভোগ করা যায়।

এছাড়াও বৃষ্টির মধ্যে এসব পাহাড়ি ঝরনার গোসল করার মজাই আলাদা। এই সময়টাতে সিলেটে ঘুরতে যাওয়া যেতে পারে যেমন জাফলং, মাধবকুণ্ড ইত্যাদি এ ধরনের জায়গায়। তবে এই সময়টাতে পাহাড় বেয়ে উপরে না ওঠাই ভালো। কারণ বৃষ্টির কারণে পাহাড়ে মাটি পিচ্ছিল থাকে যার জন্য পিছলে পড়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। এছাড়াও বর্ষাকালের আসল সৌন্দর্য উপভোগ করতে গেলে কোন গ্রামীন এলাকায় ঘুরতে গেলে বেশ ভালোভাবে উপভোগ করা যাবে।

জুন মাসে কি কি সরকারি ছুটি পাওয়া যায়

আসলে জুন মাসটাতে বিশেষ কোন উপলক্ষ যেমন রোজার ঈদের ছুটি বা ঈদুল আযহার ছুটি ছাড়া আর বড় ধরনের তেমন কোন ছুটি পাওয়া যায় না। এই মাসের সরকারি ছুটি নেই বললেই চলে। তবে বিশেষ দিবস পালিত হয় যেখানে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করা যায় তবে এর জন্য কোন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়নি। আমি আগেই বলেছি যেহেতু এটা বছরের ষষ্ঠতম মাস তাই এই সময়ে অধিকাংশই সবার কর্মব্যস্ততার মধ্য দিয়ে মাসটি কেটে যায়।

জুন মাসের বিশেষ বৈশিষ্ট্য গুলো কি

জুন মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি সম্পর্কে জানতে গেলে এই মাসের কিছু বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়। যেমন এই মাসটি বৃক্ষ রোপনের জন্য একদম উপযুক্ত আবহাওয়া থাকে। এছাড়াও গ্রীষ্মকাল থেকে বর্ষাকাল রূপান্তরের সময় প্রকৃতির যে অপরূপ সৌন্দর্য আসে সেটা এই জুন মাসে উপভোগ করা যায়। এছাড়াও এই মাসের মধ্যে দিয়ে অর্ধবছর সম্পন্ন হয়ে যায়। এছাড়াও এই মাসের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো পৃথিবী যখন দক্ষিণ গোলার্ধে থাকে তখন গ্রীষ্মকাল হয় ও পৃথিবীর যখন উত্তর গোলার্ধে থাকে তখন শীতকাল হয়।

জুন-মাসের-ক্যালেন্ডার-২০২৬-বাংলা-ও-ইংরেজি

এছাড়াও যেহেতু এই মাস দিয়ে প্রকৃতির সতেজতা প্রকাশ পায় তাই এই মাসেই বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। এই মাসের রাতগুলো সাধারণত ক্ষুদ্রতম সময়সীমার মধ্যে হয়ে থাকে।এই মাসের আবহাওয়াটা এমন থাকে যে সমুদ্র সৈকত বা কোন সুইমিংপুলে ঘুরতে যাওয়ার জন্য বেশ ভালো সময় বলে মনে হয়। এছাড়াও বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ দিবস এই মাসে পালিত হয়। অনেক রকম গাছপালা ও ফুল দিয়ে প্রকৃতি যেন নতুন রূপে সেজে ওঠে।

জুন মাসের সুবিধা ও অসুবিধা গুলো কি

এই জুন মাসে প্রকৃতি যতই সতেজ থাকুক না কেন কিন্তু এই মাসেরও কিছু সুবিধা ও অসুবিধা পাওয়া যায়। সুবিধা নিয়েই ইতোমধ্যে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। কিন্তু অসুবিধা যেটা হয় সেটা হচ্ছে প্রচুর ভাইরাল ইনফেকশনে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তারা এর সময়ের পরিবর্তনটাকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে না যার কারণে প্রচন্ড জ্বর ও সর্দি কাশিতে আক্রান্ত হয়ে যায়। বর্ষাকালের জন্য অনেকের এই সময় হালকা হালকা মাথাব্যথা শুরু হয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ শাওয়াল মাসের ক্যালেন্ডার সম্পর্কে দেখে নিন

তবে বৃক্ষরোপণ করতে চাইলে এই মাসটা বেশ ভালো হতে পারে। কারণ বৃক্ষ প্রেমীদের জন্য সবথেকে উপযুক্ত আবহাওয়া হচ্ছে এই জুন মাস। আসলে এই জুন মাসটা সুবিধা ও অসুবিধা মিলিয়ে রয়েছে। এই মাসের আর একটি অসুবিধা হল যে তেমন কোন সরকারি ছুটি পাওয়া যায় না। বেশিরভাগ সময়টাই কর্ম ব্যস্ততার মধ্যে কাটিয়ে দিতে হয়। এ সময় অনেকের পরীক্ষা থাকে, তাই পরীক্ষার মধ্যে যেন অসুস্থ না হয় এজন্য আগে থেকে সতর্ক থাকতে হবে।

কেন জুন মাসেই বছরের ছোট দিনটি পরে

জুন মাসের ২১ তারিখে বছরের বড় দিনটি পড়ে কারন আমরা জানি যে সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবী ৩৬৫ দিন প্রদক্ষিণ করে। তো এই প্রদক্ষিণ করা সময়কালীন পৃথিবীর গোলার্ধের পরিবর্তন ঘটে। আর এই একুশে জুন পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্যের কাছাকাছি সব থেকে বেশিক্ষণ থাকতে পারে। এছাড়াও পৃথিবীর উপর দিয়ে দুইটা রেখা চলে গেছে যার নাম হচ্ছে কর্কটক্রান্তি ও মকর ক্রান্তি। যখন সূর্যের আলো এই কর্কটক্রান্তি রেখার উপরে পড়ে তখন সেই দিন অনেক দীর্ঘস্থায়ী হয় আর যেটা একুশ তারিখে পড়ে।

লেখক এর মন্তব্য

জুন মাসের ক্যালেন্ডার ২০২৬ বাংলা ও ইংরেজি এই মাসটির সম্পর্কে অনেক বিস্তারিত জানতে পেরেছেন এবং আমি জানাতে পেরেছি আশা করছি। এই মাসটি মূলত কর্মব্যস্ততার একটি মাস। যেহেতু এই মাসে বর্ষাকালে প্রারম্ভ ঘটে তাই অবশ্যই যাতে অসুস্থ না হয়ে এর জন্য পূর্ব প্রস্তুতিমূলক সর্তকতা দিতে হবে আর প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে। বর্ষাকালে যেন কোন রকমের ঠান্ডা জ্বর না হয় এজন্য বাহিরে বের হওয়ার সময় অবশ্যই ছাতা ব্যবহার করতে হবে। প্রকৃতির এই সতেজময় রূপ অবশ্যই উপভোগ্য। 251118

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এডু ওয়েব আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়। ;

comment url

MD. Mukta
MD.Mukta
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও এডু ওয়েব আইটি-এর অ্যাডমিন তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি ক্লায়েন্টদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।