নতুন ডোমেইন ইনডেক্স হচ্ছে না সাতদিন পরেও কেন
ওয়েবসাইট খোলার নিয়ম গুলো জানুন
নতুন ডোমেইন ইনডেক্স হচ্ছে না সাতদিন পরেও কেন এই সমস্যাটি ওয়েবসাইট মালিকদের প্রতিনিয়ত মুখোমুখি হতে হয়। নিজস্ব একটি ডোমেইন ঠিক করার পর যখন সেই ডোমেইন ইনডেক্স হয় না তখন নিশ্চয়ই ডোমেনের সেট করার মধ্যে কোন ধরনের সমস্যা থাকতে পারে।
যেমন ডোমেইন ভেরিফিকেশন বা সার্ভারে এর সাথে সংযোগ হতে কোন ধরনের সমস্যা বা হোস্টিং এ কোন ধরনের সমস্যা থাকলে এই সমস্যাটা হয়।নতুন ডোমেইন ইনডেক্স না হলে ওয়েবসাইট গুগলে লাইভ হবে না। জেনে নেই কেন নতুন ডোমেইন ইনডেক্স হচ্ছে না।
পেজ সূচিপত্রঃনতুন ডোমেইন ইনডেক্স হচ্ছে না সাতদিন পরেও কেন
- নতুন ডোমেইন ইনডেক্স হচ্ছে না সাতদিন পরেও কেন
- ডোমেইন ইনডেক্সিং কি
- ওয়েবসাইট লাইভ হওয়ার জন্য হোস্টিং কতটা গুরুত্বপূর্ণ
- ডোমেইন কাজ না করার কারণগুলো কি
- ডোমেইন ক্রয়ের পর কি করা উচিত
- ডোমেইন ইনডেক্স না হলে কি করতে হবে
- ডোমেইন সক্রিয় আছে কিনা সেটা কিভাবে বোঝা যাবে
- নতুন ডোমেইন চালু করার উপায় কি
- ডোমেইন ইনডেক্স করার সুবিধাগুলো কি
- লেখকের মন্তব্য
নতুন ডোমেইন ইনডেক্স হচ্ছে না সাতদিন পরেও কেন
নতুন ডোমেইন ইনডেক্স হচ্ছে না সাতদিন পরেও কেন এই সমস্যার সমাধানের জন্য ডিএনএস মানে হচ্ছে ডোমেইন নেম সিস্টেম সঠিকভাবে প্রোপাগেশন করা আছে কিনা এবং ভেরিফাইড কিনা সেটা চেক করে দেখতে হবে। নতুন ডোমেইন নেম সেট করার পরে ডোমেইন সার্ভারে সেই নাম আপডেট হতে দুই থেকে তিন দিন সবাই নিতে পারে। এটি হলো প্রোপাগেশন এর প্রক্রিয়া। এছাড়াও ডোমেইন নেম সঠিকভাবে আপডেট হয়েছে কিনা সেটা জানার জন্য ভেরিফাই করতে হবে। ইমেইল পাঠালে ভেরিফাই করতে হবে।
ইমেইল পাঠানোর পরে সেটা ভেরিফাই না করলে ডোমেইন নেমটি সক্রিয় হবে না। এছাড়াও
ডিএনএস এর সেটিংস এ যদি কোন ধরনের ভুল থাকে তাহলে ডোমেন সঠিকভাবে ইনডেক্স হয় না।
এর জন্য খোঁজ নিতে হবে যে এই নামটি সঠিকভাবে হোস্টিং সার্ভার এর সাথে সংযুক্ত
হয়েছে কিনা। এছাড়া হোস্টিং কেনার পরে সেটা একটিভ হতে ২-১ দিন সময় লাগে।
যদি অনেক বেশি সময় নিয়ে ফেলে তাহলে এর সার্ভিস প্রোভাইডারের সাথে কথা বলতে
হবে।
এছাড়া ওয়েবসাইট লাইভ হওয়ার পরে গুগলের সার্চ কনসোল প্যানেলে গিয়ে নিজে ওয়েবসাইটটি ইনডেক্স করে নিতে হবে। ইউ আর এল ইন্সপেকশন টুল এর মাধ্যমে নিজের ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে ইনডেক্স করিয়ে নিতে হবে। ইনডেক্স করার পরে ভেরিফাই করতে হবে যেটি সঠিকভাবে ইনডেক্স হয়েছে কিনা। এরপরেও যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে গুগলের সাপোর্ট টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিজের সমস্যাটি সমাধান করিয়ে নিতে হবে। এক্ষেত্রে কিছুটা সময় লেগে যেতে পারে। অবশ্যই ধৈর্য ধারণ করতে হবে।
ডোমেইন ইনডেক্সিং কি
নিজের ওয়েবসাইটকে গুগলে লাইভ করার জন্য ডোমেইন ইন্ডেক্সিং করা ভীষণ
প্রয়োজন। গুগল ছাড়াও বিভিন্ন রকম প্লাটফর্মে ওয়েবসাইট লাইভ করতে গেলে
এই ডোমেইন ইনডেক্সিং করাটা মাস্ট লাগবে। ডোমেইন ইনডেক্স না করলে
ওয়েবসাইট গুগলে দেখাবে না এবং এটি লাইভ হবে না। ইনডেক্সে মূলত এমন একটি
প্রক্রিয়া যেখানে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট গুগলে ডাটা বেজে নিবন্ধিত থাকে এবং
গুগল সেখান থেকে সেই ওয়েবসাইটের পারফরম্যান্স, ভিউ, ট্রাফিক ইত্যাদি পর্যবেক্ষণ
করে।
যদি ডোমেইন ইনডেক্সে না করা হয় তাহলে গুগল কখনো বুঝতে পারবে না যে তাদের প্লাটফর্মে এই ওয়েবসাইটে রয়েছে। এজন্য ইনডেক্স করে হোস্টিং করাটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও এর মাধ্যমে ক্রলিং এর রেজাল্ট দেখা যায়। এই ইনডেক্সিং এর কারণে সার্চ রেজাল্টের প্রথমে ওয়েবসাইটটি শো করতে পারে এবং দর্শকের সামনে তা তুলে ধরতে পারে। এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটের দৃশ্যমানতা বাড়ে এবং কনটেন্ট দ্রুত দর্শকের কাছে পৌঁছে যায়।
ওয়েবসাইট লাইভ হওয়ার জন্য হোস্টিং কতটা গুরুত্বপূর্ণ
নতুন ডোমেইন ইনডেক্স হচ্ছে না সাতদিন পরেও কেন এই সমস্যাটি জানার পাশাপাশি হোস্টিং সম্পর্কে জানতে হবে। কারণ ডোমেইন ইনডেক্স করার পর সেটাকে যদি হোস্টিং না করা হয় তাহলে ওয়েবসাইট কখনো সঠিকভাবে লাইভ হবে না। হোস্টিং এর জন্য নির্দিষ্ট একটি সার্ভার রয়েছে যেখানে ওয়েবসাইট রাখা হবে এবং সেখান থেকে ওয়েবসাইট লাইভ হবে। যদি সার্ভারে ওয়েবসাইট না রাখা হয় তাহলে ওয়েবসাইটটি কখনো লাইভ হতে পারবে না। আর এর জন্যই রয়েছে হোস্টিং সার্ভার।
আরো পড়ুনঃ
কিভাবে নেমচিপে ডোমেইন ব্লগার ওয়েবসাইটে এড করে
হোস্টিং সার্ভারে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময় সেখানে ওয়েবসাইটটি রাখা যায়। একেক
রকম সার্ভারের মূল্য একেক রকম থাকে এবং প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট অর্থ পরিশোধ
করতে হয়। ওয়েবসাইটটির লাইভ হওয়ার জন্য তো কোথাও রাখতে হবে তাই না। আর এর জন্যই
প্রয়োজন হয় হোস্টিং সার্ভার এর। প্রতি মাস শেষে নির্দিষ্ট একটি অর্থ পরিশোধ
করতে হয়। তাহলে রেজিস্ট্রেশন রিভিউ এর মাধ্যমে ডোমেইন পুনরায় সক্রিয়
থাকে ও লাইভ হতে শুরু করে। কোথাও কোথাও ফ্রী হোস্টিং এর সুবিধা আছে কিন্তু এটি
এতটা কার্যকর নয়।
ডোমেইন কাজ না করার কারণগুলো কি
ডোমেইন মূলত হচ্ছে একটি স্বতন্ত্র নাম যেখানে ওয়েবসাইটের একটি নির্দিষ্ট ও ভিন্ন
একটি নাম নির্ধারণ করতে হয় যেন সেই নাম অন্য কারো ওয়েবসাইটের মালিকানা নামের
সাথে মিল না থাকে। এই ডমেইনে নামের উপরে নির্ভর করে একটু ওয়েবসাইটের নাম। তো
এই ইন্ডেক্সিং করার জন্য হোস্টিং করতে হয় আর এর জন্য হোস্টিং সার্ভারের
প্রয়োজন হয়। পোস্টিং করার সময় নির্দিষ্ট কিছু অর্থ পরিশোধ করতে হয়। যদি
প্রতিমাসে সেই রেজিস্ট্রেশনকে রিনিউ না করা হয় তাহলে এটি মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে
যায় এবং কাজ করে না।
এছাড়াও ডি এন এস সেটিংস এ যদি সমস্যা থাকে তাহলে ডোমেইন ঠিক মত কাজ করে না। এছাড়া ইন্ডেক্সিং করার সময় যদি কোন রকমের সমস্যা থেকে থাকে বা ভুল হয়ে যায় তাহলে গুগল সেটাকে রেকগনাইজ করে না। হোস্টিং এর পরে একটি যাচাই করুন ইমেইল পাঠানো হয়। যদি সে ইমেইল কে সঠিক ভাবে যাচাই না করা হয় তাহলে ডোমেইন ঠিকমতো কার্যকর হয় না। এছাড়াও ওয়েব ব্রাউজারে যদি প্রচুর পরিমাণে ক্যাশ ডাটা থাকে তাহলে ওয়েবসাইট লোড হতে অনেক সমস্যা সৃষ্টি করে।
ডোমেইন ক্রয়ের পর কি করা উচিত
একটি ডোমেইন বা ওয়েবসাইটের জন্য স্বতন্ত্র নাম কিনে ফেলার পর হোস্টিং সার্ভারের
সঙ্গে এটিকে যুক্ত করা উচিত। কারণ এটাকে হোস্ট না করলে অনলাইনে লাইভ হবে না। তাই
হোস্টিং সার্ভারের জন্য বিশ্বস্ত একটি প্লাটফর্ম খুঁজে নিয়ে সেখানকার বিভিন্ন
ধরনের মাসিক ও বার্ষিক বা নিজের পছন্দমত যে কোন একটি প্ল্যান কিনে ওয়েবসাইট থেকে
সার্ভারে রেখে দিতে হবে। এরপর যোগাযোগের জন্য নিজের জন্য একটি পেশাদার ইমেইল তৈরি
করে নিতে হবে। যে উদ্দেশ্যে ওয়েবসাইট কেনা সেখানে কনটেন্ট পোস্ট করতে হবে।
ডোমেইন কেনার পরে যে প্ল্যান অনুযায়ী সার্ভারে হোস্ট করতে দেয়া হয়েছিল সেই
প্ল্যান অনুযায়ী নির্দিষ্ট অর্থ পরিশোধ করতে হবে। ডোমেইন কে পুনরায় সক্রিয়
রাখার জন্য এই রিনিউ করাটা প্রয়োজন। রিনিউ না করলে ওয়েবসাইটটি লাইভ হবে না।
এরপর গুগলের সার্চ কনসোল প্যানেলে গিয়ে নিজের ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে গুগল
ইনডেক্স করে রাখতে হবে। গুগল ইনডেক্স না করলে বুঝতেই পারবে না যে একটা
ওয়েবসাইট রয়েছে। এরপর এসইও করার মাধ্যমে কনটেন্ট পোস্ট করে যেতে হবে
নিয়মিত।
ডোমেইন ইনডেক্স না হলে কি করতে হবে
নতুন ডোমেইন ইনডেক্স হচ্ছে না সাতদিন পরেও কেন এ সমস্যাটি সমাধানের জন্য ডোমেনকে পুনরায় যাচাই করতে হবে এবং প্রোপাইগেশন ঠিক আছে কিনা সেটাও দেখে নিতে হবে। এছাড়াও গুগলের সার্চ কনসোল প্যানেলে গিয়ে যাচাই করে নিতে হবে যে, ইউ আর এল ইনস্পেকশন টুল সঠিকভাবে কাজ করেছে কিনা। প্রয়োজনে আবারো ইনডেক্স রিকোয়েস্ট পাঠাতে হবে। ওয়েবসাইটের সাইট ম্যাপ আপডেট করতে হবে। এবং ডোমেইন সার্চ করে দেখতে হবে যে কোন ধরনের টেকনিক্যাল সমস্যা আছে কিনা।
ডোমেইন সক্রিয় আছে কিনা সেটা কিভাবে বোঝা যাবে
গুগলে ওয়েবসাইটে ডোমেইন সক্রিয় আছে কিনা সেটা জানার জন্য একটি টোল ব্যবহার করতে হবে যেটার নাম হলো WHOIS বা হুইস টুল যেটার মাধ্যমে ডোমেইনের মেয়াদ আছে কিনা বা এটা রেজিস্ট্রেশন আপডেট ও স্ট্যাটাস এবং ডোমেইন টি আদতে লাইভ হচ্ছে কিনা সেটা সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে। বিভিন্ন স্ট্যাটাস আপডেট এর মাধ্যমে এটি জানিয়ে দেয় যে ওয়েবসাইটটি লাইভ হচ্ছে কিনা। বিভিন্ন ধরনের হুইস লুকাআপ টুল রয়েছে যেটিতে প্রবেশ করে এই টুলটির ব্যবহার করা যাবে।
এছাড়াও ম্যানুয়াল সার্চ এর মাধ্যমেও দেখা যাবে যে ওয়েবসাইটে লাইভ হচ্ছে কিনা। এর জন্য নির্দিষ্ট একটি ব্রাউজারে গিয়ে সে নির্দিষ্ট নামের ওয়েবসাইটটি লিখে সার্চ দিতে হবে। সাস দেওয়ার পরে কিছুক্ষণ লোড হতে দেখা যাবে। লোড হওয়ার পরে যদি ওয়েবসাইটে দেখায় তাহলে বুঝতে হবে যে ডোমেইন সক্রিয় আছে। আর যদি না দেখায় তাহলে বুঝে নিতে হবে যে ডোমেইনটি কাজ করছে না এবং ওয়েবসাইটও এজন্য লাইভ হতে দেখা যাচ্ছে না।
নতুন ডোমেইন চালু করার উপায় কি
নতুন ডমে চালু করতে হলে অবশ্যই একটি ভালো রকমের রেজিস্টার খুঁজে নিতে হবে। নিজের
পছন্দ মতো একটি নাম নির্বাচন করে সেটিকে রেজিস্ট্রেটেড করে নিতে হবে। এরপরে
হোস্টিংয়ের জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য ও ভালো মানে সার্ভার প্রোভাইডারের সঙ্গে
যোগাযোগ করতে হবে। এরপর যোগাযোগের সময় প্রয়োজনীয় সকল রকমের তথ্য দিয়ে এবং
তাদের দেওয়া নির্দিষ্ট প্ল্যান কিনে ওয়েবসাইটটি সার্ভারে রেখে দিতে হবে। অবশ্যই
ক্রয়কৃত প্লান অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই মূল্য পরিশোধ করতে হবে।
আরো পড়ুনঃ ইউ আর এল এর কাজ করার নিয়ম গুলো কি
যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সে নির্দিষ্ট অর্থ পরিশোধ করতে না পারা যায় তাহলে
ওয়েবসাইটটি লাইভ হতে দেখা যাবে না এবং ডোমেইনটি মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাবে।
হোস্টিং সার্ভারের সাথে যুক্ত হওয়ার পর একটি নিজস্ব লিংক তৈরি হবে সেটা নিজস্ব
ওয়েবসাইটের জন্য। এই লিংকের সাথে কখনো অন্য কারো লিংকের মিল থাকবে না। ডোমেইন
সক্রিয় হওয়ার পর ওয়েব সাইটে নিজের পছন্দমতো ডিজাইন করে সেখানে নিজের কাঙ্খিত
কনটেন্ট গুলি পোস্ট করে যেতে হবে নিয়মিত এবং এসইও নিয়ম অনুসারেই।
ডোমেইন ইনডেক্স করার সুবিধাগুলো কি
ডোমেইন ইনডেক্স করার বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। যেমন নির্দিষ্ট ও স্বতন্ত্র নাম থাকার কারণে একটি মালিকানাধীন বলে অনুভব হয়। এছাড়া ক্রেতা বা দর্শকরা গুগলের সেই নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট খুঁজে পেতে সক্ষম হয়। এর ফলে বিশ্বাসযোগ্যতা ও ভরসা বাড়ে।
এছাড়া কনটেন্ট গুলো সহজেই দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারে। ডোমেনের সাথে মিল রেখে নিজের একটি পেশাদারী ইমেইল তৈরি করে নেওয়া যায় যেটা ব্যবসার ক্ষেত্রে যোগাযোগের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।নতুন ডোমেইন ইনডেক্স হচ্ছে না সাতদিন পরেও কেন এই সমস্যার সমাধান করার জন্য অবশ্যই উপরোক্ত কারণ অনুসরণ করে ইনডেক্স সম্পন্ন করে নিতে হবে।
লেখকের মন্তব্য
ডোমেইন ইনডেক্স করাটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ যদি কনটেন্ট প্রচারের মাধ্যমে ঘরে বসে নির্দিষ্ট কোন প্ল্যাটফর্ম থেকে আয় করার স্বপ্ন থাকে। কারণ ডিজিটাল দুনিয়ায় আয় করতে গেলে নিজস্ব একটু ওয়েবসাইট থাকা প্রয়োজন। আর এর জন্যই ডোমেইন ইনডেক্স করে সেটাকে হোস্ট করতে হবে।নতুন ডোমেইন ইনডেক্স হচ্ছে না সাতদিন পরেও কেন এই ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয় তাহলে উপরোক্ত নিয়ম অনুসরণ করে তা সমাধানের জন্য কাজ করে যেতে হবে। 251118



এডু ওয়েব আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়। ;
comment url