ফোন ছাড়ার চেষ্টা করেও বারবার ফিরে যায় কেন

শরীরের যে স্থানে মোবাইল রাখেনা

ফোন ছাড়ার চেষ্টা করেও বারবার ফিরে যায় কেন এই সমস্যাটি বর্তমান প্রজন্মের খুব সাধারণ একটি সমস্যায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে বাচ্চাদের এই ধরনের সমস্যা বেশি হচ্ছে যেখানে তাদেরকে ফোন দিলে এতটাই আসক্ত হয় যে ফোন কেড়ে নিলে চিল্লাচিল্লি করে।

ফোন-ছাড়ার-চেষ্টা-করেও-বারবার-ফিরে-যায়-কেন

এছাড়াও তরুণ তরুণীদের এই সমস্যাটি অনেক বাজে ভাবে তৈরি হয়ে যাচ্ছে যেখানে ফোনের এই ডিজিটাল দুনিয়া থেকে বেরিয়ে বাস্তবতায় ফিরে যাওয়া যেন অনেক কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এটা এক প্রকার ফোনের প্রতি আসক্ত সৃষ্টি হওয়ার কারণেই হচ্ছে।

পেজ সূচিপত্রঃফোন ছাড়ার চেষ্টা করেও বারবার ফিরে যায় কেন

ফোন ছাড়ার চেষ্টা করেও বারবার ফিরে যায় কেন

ফোন প্রতিনিয়ত আমাদের বিভিন্ন কাজের প্রয়োজন হয়। চাইলেও এই ফোন থেকে দূরে থাকা সম্ভব না। কারণ কথা বলা থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন মিটিং সহ দেশ-বিদেশের নানা গুরুত্বপূর্ণ আপডেট জানতে হলে এই ফোনের কাছে আসতেই হবে।

কিন্তু অনেক সময় জীবনটা এমন হয়ে যায় যে ফোন যেন আমাদের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করছে। যখন মনে হবে যে সব সময় ফোনের কাছে আছি এবার ফোন থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতেছি একটু কিন্তু পারতেছি না, তার মানে ফোনের প্রতি আসক্ততা তৈরি হচ্ছে। তাছাড়াও এর পেছনে হরমোনাল কারণ দায়ী থাকতে পারে। ফোন অতিরিক্ত পরিমাণে ব্যবহার করলে মস্তিষ্ক থেকে ডোপামিন হরমোনের নিঃসরণের পরিমাণ অধিক বেড়ে যায় এবং যার কারণে আস্তে আস্তে ফোনের প্রতি আসক্ততা তৈরি হয়ে যায়।

ফোনের প্রতি আসক্ততা জীবনকে ভয়ংকর পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে। আসক্ততার পরিমাণ যদি অধিক হয়ে যায় তাহলে মানুষ তার নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে ভয়ঙ্কর সিদ্ধান্ত নেয়। তাই ফোনকে পরিমিত মাত্রায় ব্যবহার করতে হবে যাতে মস্তিষ্ক থেকে হরমোন বেশি নিঃসরণ হতে না পারে। ফোন ব্যবহার করার পাশাপাশি যদি সামাজিক কার্যক্রমে নিজেকে যুক্ত রাখা যায় তাহলে ফোনের প্রতি আসক্ততা অনেকখানি কমে আসতে শুরু করে।

ফোনের প্রতি আসক্তি কিভাবে তৈরি হয়

ফোন ছাড়ার চেষ্টা করেও বারবার ফিরে যায় কেন এর পেছনে মূল কারণই হচ্ছে ফোনের প্রতি আসক্ততা সৃষ্টি হওয়া। যখন ফোন ব্যবহার করতে করতে এর ফাঁদে পা দেই তখন মনে হয় ফোন যেন আমাদের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করছে। আসলে কোন কিছুর প্রতি অতিরিক্ত কাজ করা ভালো নয় তাহলে এর প্রতি আসক্তি তৈরি হয়ে যায়। এছাড়াও ফোনের প্রতি যদি নির্ভরশীলতা বেড়ে যায় তাহলে আস্তে আস্তে আসক্ত হতে শুরু করে। এছাড়াও ফোনের উপর যদি আবেগীয় নির্ভরশীলতা বেড়ে যায় তাহলে আসক্তি বেড়ে যায়।

এছাড়াও ফোনের এই ডিজিটাল দুনিয়ার প্রতি যদি ফোমও কাজ করে তাহলে ফোন ছেড়ে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। হচ্ছে এক প্রকার মানসিক ব্যাধি যেখানে একটি ভয় কাজ করে যে হয়তো আমি কোন গুরুত্বপূর্ণ আপডেট মিস করে ফেললাম। সোশ্যাল মিডিয়ার কোন নোটিফিকেশন, খবর, তথ্য ইত্যাদি মিস করে ফেলার ভয় সব সময় কাজ করে যাদের তাদেরকে বলা হয় যে ফোমোতে ভুগছে। তাই সময়সীমা বেঁধে ফোন ব্যবহার করলে এ ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

এন্ডলেস স্ক্রলিং কি জিনিস

আমরা অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ব্যাপারটি সম্পর্কে জেনে থাকি। এর মানে হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুক, ইউটিউব,টিকটক,ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি প্লাটফর্মে নিউজ ফিড ও রিলস স্ক্রলিং করার সুবিধা থাকে। যখন মানুষ এই স্ক্রলিং করতেই থাকে কিন্তু আর শেষ করতে পারে না বা এই স্ক্রলিং এর হাত থেকে মুক্তি পেতে পারে না। মনে হয় যে এইবার বন্ধ করি কিন্তু নিজের অজান্তেই স্ক্রলিং হতেই যাচ্ছে, এই ব্যাপারটাকে বলা হয় যে এন্ডলেস স্ক্রলিং। এখানে শুরু আছে কিন্তু নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শেষ করা যায় না।

ফোন-ছাড়ার-চেষ্টা-করেও-বারবার-ফিরে-যায়-কেন

এটি মূলত হরমোনাল কারণে তৈরি হতে পারে। যখন ফোনের উপরে অতিরিক্ত মাত্রায় নির্ভরশীলতা বেড়ে যায় এবং যেকোনো অনুভূতিতে ফোন ছাড়া থাকা যায় না তখন এই ধরনের লুপে আটকে যায়। এই ধরনের সমস্যার ফাঁদে পড়ে জীবন থেকে অনেক মূল্যবান সময় হারিয়ে যায়। শুধু এই রিলস দেখতে দেখতেই ঘন্টার পর ঘন্টা পার হয়ে যায়। তাও রিলস থেকে বের হওয়া যায় না, কেমন যেন নেশার মতন লাগে। এজন্য ফোনের প্রতি নির্ভরশীলতা কমিয়ে দিতে হবে।

এই এন্ডলেস স্ক্রলিং এ মানুষ কিভাবে আটকে যায়

এই সমস্যাটা মূলত একটা ফাঁদ যেই ফাঁদে মানুষ একবার আটকে পড়লে সহজে বের হওয়াটা অনেক মুশকিল হয়ে যায়। ধরেন, আমি নির্দিষ্ট একটি বিষয় নিয়ে রিলস দেখতেছি। কিন্তু সেই সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলো আমার রিলস দেখার বিষয়টি ট্র্যাক করছে এবং পরবর্তীতে সেই অনুযায়ী রিলস পাঠাচ্ছে। এর জন্য যেটা হয় যে একটা রিলস দেখার পরে একটা আগ্রহ আসে যে পরেরটা কি হতে পারে। এই ধরনের অ্যালগরিদম এর জন্য এই ফাঁদ থেকে বের হওয়াটা অনেক মুশকিল হয়ে পড়ে।

এছাড়াও ডিজিটাল দুনিয়ার এসব রঙিন পোস্ট আমাদের মস্তিষ্কে ডোপামিন হরমোনকে অনেক প্রভাবিত করে। যার জন্য এখান থেকে বের হয়ে আসাটা অনেক মুশকিল হয়ে যায়। এছাড়াও অনেক মানুষ ফোমও তে ভোগে যার জন্য তাদের মধ্যে ভয় কাজ করে যে কোন নোটিফিকেশন বা মেসেজ মিস করে ফেললো কিনা। আর এভাবেই একটা ফোন মানুষের মস্তিষ্ক ও প্রভাবিত করে ও তাদের মানসিক অবস্থাকে নিজের নিয়ন্ত্রণ এ নিয়ে আসে।

দিনে কতটুকু সময় স্ক্রলিং করা উচিত

ফোনের প্রতি আসক্ততা কমানোর জন্য সবথেকে কার্যকরী মাধ্যম হচ্ছে দিনে কতটুকু সময় ফোন ব্যবহার করা উচিত।ফোন ছাড়ার চেষ্টা করেও বারবার ফিরে যায় কেন এই ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে গেলে অবশ্যই স্ক্রলিং এর জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা মেনে চলতে হবে। সর্বপ্রথম নিজেকে বোঝাতে হবে যে অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো নয়। 

নিজের মানসিক অবস্থাকে নিজে নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষমতা থাকতে হবে। এরপর সুবিধামতো নির্দিষ্ট একটি সময়সীমা বেঁধে ফোন ব্যবহার করতে হবে এবং সময় পার হলে ফোন থেকে বের হয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখতে হবে। এটাই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার সক্ষমতা। সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিয়ম নীতি মেনে চলতে হবে। অপ্রয়োজনীয় কোন অ্যাপ না রাখাই ভালো। নির্দিষ্ট সময় মেনে রিলস দেখতে হবে এবং সময় পার হলে সেখান থেকে বের হওয়ার ক্ষমতা রাখতে হবে সে যত ভালই রিলস আসুক না কেন।

আরো পড়ুনঃ পুরনো এন্ড্রয়েড ফোনে লাগ কমায় কিভাবে

ফোন থেকে দূরে রাখার পাশাপাশি নিজেকে সময় দিতে হবে। যে কাজ করতে ভালো লাগে সেই কাজের মধ্যে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে হবে। পরিবারকে সময় দিতে হবে এবং অবসর সময় বই পড়া যেতে পারে। তাহলে এই স্ক্রনিং থেকে বের হওয়ার পরেও বারবার ফোনের কাছে যেতে ইচ্ছে করবে না। নিজের মনকে যদি অন্য কাজে ব্যস্ত রাখা যায় তাহলে স্ক্রলিং এর রুটিন অনুসরণ করতে সুবিধা হবে।

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ থেকে বেঁচে থাকার উপায়

ফোন ছাড়ার চেষ্টা করেও বারবার ফিরে যায় কেন এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে গেলে আরেকটি কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে সেটি হল ফোনের মধ্যে এসব অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ রিমুভ করে রাখতে হবে। এর কারণে এসব অ্যাপ আর চোখেও পড়বে না এবং তার মধ্যে ঢুকতেও ইচ্ছা করবে না। এছাড়াও নোটিফিকেশন বন্ধ করে রাখা যেতে পারে, তাহলে বারবার ফোনের কাছে যেতে হবে না। নিজের কর্ম ক্ষেত্রে সাথে সংযুক্ত ও প্রয়োজনীয় এমন অ্যাপগুলি মোবাইলে রেখে বাকিগুলো সরিয়ে দেওয়া উচিত।

ফোন থেকে সরে নিজেকে সময় দেওয়ার উপকারিতা

অবসর সময়টা নিজের সাথে কাটানোর উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। দৈনন্দিন জীবনে আমরা সবকিছুই করি, সব দায়িত্বই পালন করি কিন্তু নিজেকে সময় দেওয়া বা নিজেকে খুশি করার এই বিষয়টা গুরুত্ব দেই না। কিন্তু নিজেকে শক্তিশালী রাখার জন্য এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। নিজেকে ভালো না বাসলে অন্যকে ভালোবাসা যায় না বা খুশিও করা যায় না। ব্যক্তিগত জীবনে অনেক মানুষ বিষণ্ণতায় ভোগে এর কারণ হচ্ছে নিজেকে সময় না দেওয়া বা নিজেকে যত্ন না করা।

ফোন-ছাড়ার-চেষ্টা-করেও-বারবার-ফিরে-যায়-কেন

নিজের যে কাজের প্রতি শখ রয়েছে, অবসর সময় সেই কাজটি করতে হবে। একটা পছন্দের বই পড়া যেতে পারে। নিজের পছন্দের গান শোনা যেতে পারে। বাহিরে গিয়ে একটু হাঁটাহাঁটি করা বা নিজের কোন পছন্দের জায়গায় একা গিয়ে নিজেকে খুশি রাখার মতন বিষয়টা একটা টনিকের মতো কাজ করে। এসব কাজ গুলো অনুসরণ করলে নিজের প্রতি আর কোন হতাশা বা বিষন্নতা কাজ করে না। জীবনের প্রতি একটি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয় ও কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়ে।

কিভাবে ফোনের প্রতি এই আসক্ততা দূর করবেন

ফোনের প্রতি আসক্ত তা অনেক কারণেই তৈরি হয়। এজন্য কারণগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।ফোন ছাড়ার চেষ্টা করেও বারবার ফিরে যায় কেন এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম অনুসরণ করলেই ফল পাওয়া যায়। সর্বপ্রথম নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে শিখতে হবে এবং আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। 

ফোনকে শুধু কাজের জন্য ব্যবহার করতে হবে। নির্ভরশীল হয়ে পড়লে চলবে না। মন খারাপ থাকলে নিজের পছন্দের কোনো কাজ করতে হবে তাই বলে ফোনের কাছে যাওয়া যাবে না। প্রয়োজনে এই সংক্রান্ত কোন সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও কনফারেন্সে যোগ দেওয়া যেতে পারে। তাহলে অনেক জ্ঞান ও সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। অবসর সময়ে গাছ লাগাতে পারেন। প্রকৃতি সাথে থাকলে মনটা অনেক বিশুদ্ধ ও হালকা লাগে এবং কৃত্রিম জিনিসের প্রতি কোন আগ্রহ কাজ করে না।

আরো পড়ুনঃ লোকেশন ট্র্যাক করার নিয়ম গুলো জানুন

এছাড়াও অবসর সময়টা ফোন ছাড়া থেকে নিজের পছন্দের কাজ করতে হবে মানে নিজেকে সময় দিতে হবে। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে যুক্ত থাকলে ফোনের প্রতি আগ্রহ কমে যায়।

ফোনের কাছে বারবার ফিরে যাওয়ার ভয়ংকর পরিণতি

ফোন ছেড়ে দিয়েও ছেড়ে না দেওয়ার যে ব্যাপারটা বা ফোন থেকে কিছুক্ষন দূরে থেকেও আবার ফোন হাতে নেওয়ার যে ব্যাপারটা এটা নিজের জীবনের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলার লক্ষণ। বাংলাদেশে এমন অনেক ঘটনা রয়েছে যেখানে ফোন না দেওয়ার কারণে নিজের অভিভাবককে হত্যা করেছে যেটা একটি হুমকি স্বরূপ। এছাড়াও ফোন না দেওয়ার কারণে আবেগের বশবর্তী হয়ে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে। তাই এসব অবস্থা থেকে মুক্ত থাকার জন্য নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার নিয়ম গুলো অনুসরণ করতে হবে।

লেখকের মন্তব্য

ফোন ছাড়ার চেষ্টা করেও বারবার ফিরে যায় কেন এই সমস্যাটার জন্য দায়ী হচ্ছে ফোনের প্রতি আসক্ততা। এই আসক্ততা যদি কমানো না হয় তাহলে ব্যক্তি জীবন ছাড়াও সামাজিক জীবনেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে। দেশ করার জন্য আগামীর প্রজন্ম প্রয়োজন কিন্তু সেই আগামীর প্রজন্ম যদি এভাবে ফোনের প্রতি আসক্ত হয়ে যায় ও নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ না থাকে তাহলে এর পরিণতি অনেক খারাপ হবে। তাই আবার আলোচ্য বিষয়গুলো অনুসরণ করে ফোনের প্রতি আসক্ততা কামাতে হবে। 251118

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এডু ওয়েব আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়। ;

comment url

MD. Mukta
MD.Mukta
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও এডু ওয়েব আইটি-এর অ্যাডমিন তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি ক্লায়েন্টদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।