আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এর তাৎপর্য এবং গুরুত্ব
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এর তাৎপর্য এবং গুরুত্ব নিয়ে আজকে আমরা এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে জানবো। ১৯৫২ সালের ভাষা শহীদদের কে মনে রাখার উদ্দেশ্যে আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভাষা শহীদদেরকে স্মরণ করে এই দিনে জাতীয় শহীদ মিনারে ফুল দেয়। এবং সমগ্র দিনব্যাপী বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। চলুন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এর তাৎপর্য এবং গুরুত্ব নিয়ে জেনে নেই।
পেইজ সূচিপত্রঃ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এর তাৎপর্য এবং গুরুত্ব
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এর তাৎপর্য এবং গুরুত্ব
- আমরা কেন ভাষা শহীদদের স্মরণ করব
- বাংলা ভাষা কবে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায়
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রথম বছর কতটি দেশ পালন করেছে
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস জাতিসংঘ কর্তৃক কত সালে স্বীকৃতি পায়
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কী
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে কেন্দ্র করে কি কি করা হয়
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা কত সালে
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কেন পালিত হয়
- শেষ বিশ্লেষণঃ লেখকের মন্তব্য
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এর তাৎপর্য এবং গুরুত্ব
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এর তাৎপর্য এবং গুরুত্ব নিয়ে জানা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনে বিভিন্ন ভাবে জাতীয় মাতৃভাষা দিবস এর ভূমিকা পালন করে থাকে। মূলত পৃথিবীতে বাঙালি একমাত্র জাতি যারা নিজেদের মাতৃভাষার স্বার্থে জীবন দিয়েছিলেন।
আরো পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কবে
যা ১৯৫২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সবাই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে গুরুত্বের সাথে পালন করে আসছে। যার মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন ভাবে প্রভাবিত হয়ে থাকি। তাই আমাদের সকলের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সম্পর্কে জানা খুবই জরুরি। চলুন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এর তাৎপর্য এবং গুরুত্ব নিয়ে আমরা বিস্তারিত ভাবে জেনে নেই।
সকলের মাঝে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করাঃ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে সকলের মাঝে এই দিবসটি নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো। সবাই যেন এই দিবস নিয়ে সচেতন হয় এবং সবাই যেন এই দিবসেকে কেন্দ্র করে সঠিকভাবে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে সে উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কাজ করে থাকে।
বাঙালি জাতির গর্ব নিজের ভাষাকে রক্ষা করার বিষয়টি সকলের মাঝে তুলে ধরাঃ মূলত পৃথিবীতে বাঙালি একমাত্র জাতি যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছেন। মূলত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের মাধ্যমে বাঙালি জাতির এই বীরত্ব সকলের মাঝে তুলে ধরা হয়।
বাঙালি জাতিকে সমগ্র বিশ্বের সামনে মাথা উঁচু করানোঃ বাঙালি জাতি যে নিজেদের অধিকার আদায়ের আপসহীন এই বিষয়টি সমগ্র বিশ্বের সামনে তুলে ধরা হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এর মাধ্যমে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের মাধ্যমে সবাই বাঙালি জাতির এই অন্যতম বীরত্ব সম্পর্কে জানতে পারি।
দেশের ইতিহাসকে সংরক্ষণ করাঃ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের মাধ্যমে দেশের এই ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস কে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। সবাই এই দিবস সম্পর্কে জানতে পারে এবং বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে দিবস পালন করতে পারে। যার মাধ্যমে সকলের মাঝে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস নিয়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
সবাই যেন এই দিবসকে মনে রাখে সে উদ্দেশ্যে কাজ করাঃ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের মাধ্যমে সবাই এই দিবসকে মনে রাখে। বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে দিবসকে মনে রাখা হয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সম্পর্কে জানতে পারে এবং নিজের জাতিকে নিয়ে গর্ব করতে পারে সেই উদ্দেশ্যে কাজ করা হয়।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের সকলের মাঝে বিভিন্ন ভাবে প্রভাবিত করে থাকে। মূলত বিভিন্ন কারণে আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন যারা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস নিয়ে খুবই সচেতন। এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সম্পর্কে জানার মাধ্যমে অন্যদের মাঝেউ সচেতনতা বাড়াতে সাহায্য করবে। যা আমরা উপরের তথ্যের মাধ্যমে জেনেছি এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস নিয়ে আপনাদের আরও বিভিন্ন ধরনের তথ্য জানার রয়েছে। তাই আমরা আরও বিভিন্ন ধরনের তথ্য জানব যা আমাদের জীবনে কাজে আসবে এবং এর মাধ্যমে আমরা উপকৃত হব।
আমরা কেন ভাষা শহীদদের স্মরণ করব
সাধারণত গুগল থেকে রিসার্চ করে দেখা যায় যে, আপনাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা জানতে চান আমরা কেন ভাষা শহীদদের স্মরণ করব। ১৯৫২ সালে মূলত বাঙালিরা বাংলা কে রাষ্ট্রভাষা করার উদ্দেশ্যে একটি মিছিল করলে সেই মিছিলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গুলি করার কারণে অনেকেই শহীদ হয়।
মূলত তাদেরকে ভাষা শহীদ বলা হয়ে থাকে। মূলত পাকিস্তানি বাহিনী যখন জাতিকে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করতে চায় না তখন বাঙালিরা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার উদ্দেশ্যে বন্দুকের সামনে বুক পেতে দেয়। এবং এর মাধ্যমে অনেকেই মারা যায় যাদেরকে আমরা ভাষা শহীদ হিসেবে চিনি। আমরা ভাষা শহীদদের স্মরণ করব তাদের বীরত্বের জন্য। তাছাড়াও তারা যে ভাষার জন্য জীবন দিয়েছেন তাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য আমরা ভাষা শহীদদের স্মরণ করব। মূলত বছরই ফেব্রুয়ারি ২১ তারিখে ভাষা শহীদদের স্মরণ করা হয়ে থাকে।
বাংলা ভাষা কবে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায়
আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস নিয়ে বিস্তারিত ভাবে বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলো জানবো। কিন্তু এক্ষেত্রে আমাদেরকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস নিয়ে আরও কিছু তথ্য জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আপনাদের মাঝে অনেকে আছেন যারা বাংলা ভাষা কবে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায় এই নিয়ে জানতে চান।
বাংলা ভাষা পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় মূলত ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করার মাধ্যমে এর পরবর্তীতে ৯ মে অনুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রথম বছর কতটি দেশ পালন করেছে?
সাধারণত সমগ্র বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়ে থাকে। এটা বাঙালি জাতির অন্যতম গর্ব হিসেবে বিবেচিত হয়। কারণ পৃথিবীতে বাঙালি একমাত্র জাতি যারা নিজেদের ভাষার জন্য জীবন দিয়েছেন। মূলত ভাই শেষ হইদ্দির প্রতি সম্মান জানানোর উদ্দেশ্যে ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর প্যারিস অধিবেশনে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
এক্ষেত্রে পৃথিবীর প্রায় ১৮৮টি দেশ এই প্রস্তাবে সমর্থন জানালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বর্তমান সময়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এমন একটি বিষয় যা আমাদের মাঝে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে বিভিন্ন দিক দিয়ে প্রভাবিত করে থাকে।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস জাতিসংঘ কর্তৃক কত সালে স্বীকৃতি পায়
মূলত ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃতি দিয়ে থাকে। মূলত তার পরবর্তী বছর থেকে অর্থাৎ ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সমগ্র বিশ্বকে পালন করা হয়ে থাকে। মূলত, আপনাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস জাতিসংঘ কর্তৃক কত সালে স্বীকৃতি পায় নিয়ে অনেক বেশি আগ্রহী।
মূলত স্বীকৃতির মাধ্যমে সমগ্র বাঙালি জাতি অন্যতম একটি সম্মানের জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছে। তাছাড়াও আমাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যাদের মাতৃভাষা দিবস নিয়ে আগ্রহের কোন কমতি নেই। মূলত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস নিয়ে আগ্রহের বিভিন্ন ধরনের কারণ রয়েছে তার মাঝে অন্যতম কারণ হচ্ছে, মূলত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের বাঙালি জাতির জন্য গর্বের অন্যতম কারণ।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কী
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বলতে বলা হয় বাঙালি জাতির এক অন্যতম গর্বের দিবস। মূলত বাংলাকে দেশের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৫২ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী দের কাছে অত্যাচারের শিকার হয়। এবং ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে অনেকেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গুলিতে মারা যায়।
যা পরবর্তীতে সমগ্র বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয় যা শহীদদের প্রতি মন প্রদর্শনের উদ্দেশ্য হিসেবে বিবেচিত। আজকের এই আর্টিকেলের মাঝে আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের তথ্য গুলো জেনেছি। কিন্তু এক্ষেত্রে আরও কিছু তথ্য সম্পর্কে জানা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে কেন্দ্র করে কি কি করা হয়
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে কেন্দ্র করে সমগ্র দেশব্যাপী বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। মূলত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কে কেন্দ্র করে ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান জানানোর উদ্দেশ্যে সবাই সকালে জাতীয় শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার মাধ্যমে এই দিবসটি পালন করে থাকে। এক্ষেত্রেই দিবসটিকে পালন করার উদ্দেশ্যে দেশের সকল স্কুল কলেজ এবং বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ধরনের আয়োজন করা হয়।
আমাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যাদের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে কেন্দ্র করে কি কি করা হয় এই নিয়ে আগ্রহের কোন কমতি নেই। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস নিয়ে আগ্রহের অন্যতম কারণ হচ্ছে এটি আমাদের মাঝে বিভিন্ন ভাবে প্রভাবিত করে থাকে। এবং দেশের শহীদদের প্রতি ভালোবাসা জন্মাতে সাহায্য করে।
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা কত সালে
সাধারণত গুগল থেকে রিসার্চ করে দেখা যায় যে আপনাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা জানতে চান ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা কত সালে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন। অর্থাৎ এই দিনটি বাংলায় ১৩৫৮ সাল হিসেবে বিবেচিত হয়। এখন পর্যন্ত আজকে আমরা এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস নিয়ে এমন কিছু তথ্য জেনেছি যে তথ্য গুলো জানা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
কিন্তু এক্ষেত্রে আমাদেরকে আরও কিছু তথ্য জানা জরুরী যার মাধ্যমে আমরা মাতৃভাষা দিবস নিয়ে আরও ভালো ভাবে বুঝতে পারবো। তার মাঝে অন্যতম হচ্ছে, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা কত সালে যা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কেন পালিত হয়
সবাই যেন ভাষা শহীদদের প্রতি যথাযথভাবে সম্মান প্রদর্শন করতে পারে এই উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়ে থাকে। মূলত দিবস কে কেন্দ্র করে সমগ্র বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। মূলত পৃথিবীর প্রায় ১৮৮ টি দেশ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে থাকে।
নিজের দেশের প্রতি এবং নিজের ভাষার প্রতি যে ভালোবাসা প্রদর্শন করা এটি বাঙালি জাতি ১৯৫২ সালে দেখিয়ে দিয়েছিলেন। মূলত ভাষা শহীদদেরকে যেন আমরা সবাই মনে রাখি এবং তাদের অবদানকে যেন আমরা না ভুলে যাই সেই উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি পালন করা হয়ে থাকে। যা বাংলাদেশের সংস্কৃতি হিসেবে বিবেচিত।
শেষ বিশ্লেষণঃ লেখকের মন্তব্য
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এর তাৎপর্য এবং গুরুত্ব নিয়ে আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা বিস্তারিতভাবে জেনেছি। মূলত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের বিভিন্ন ধরনের কারণ রয়েছে যার মাধ্যমে এটি বিভিন্ন ভাবে আমাদের জীবনে প্রভাবিত করে থাকে। এবং আমাদের দেশের প্রতি এবং ভাষা শহীদদের প্রতি ভালোবাসা জন্মায়।
আমরা এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসন পালন ছাড়াও এই সম্পর্কে আরও বিভিন্ন ধরনের তথ্য জেনেছি। এর মাধ্যমে আমাদের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস নিয়ে একটি সম্পূর্ণ ধারণা চলে এসেছে। যা আমাদের জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজে আসবে এবং নতুন কিছু শিখতে আগ্রহী করবে। তাহলে, আজকে আর্টিকেল এর মাধ্যমে আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অর্থাৎ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এর তাৎপর্য এবং গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত ভাবে জেনে নিলাম, যা আমাদের জ্ঞানের পরিধিকে বাড়াতে সাহায্য করবে। এতক্ষণ সময় নিয়ে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন আপনার সুস্থতা কামনা করি। 250729



এডু ওয়েব আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়। ;
comment url