ইউটিউব ভিডিও আপলোড করেও ভিউ না আসার কারণ
ইউটিউব ভিডিও আপলোড করেও ভিউ না আসার কারণ কি। এর পেছনে শুধু একটি নয়। একাধিক
জটিল ও সরল কারণ জড়িত থাকতে পারে। আপনি অনেক পরিশ্রম করে একটি ইউটিউব ভিডিও তৈরি
করলেন, কিন্তু কনটেন্টে কোন ভিউ আসে না।
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা শুধু ভিউ না আসার কারণে বিশ্লেষণ করবো না। বরং প্রতিটি
কারণের জন্য কার্যকর সমাধান তুলে ধরব। আপনার কনটেন্ট দৃশ্যমান হোক এবং লক্ষ্য
দর্শক আপনার ভিডিও খুঁজে পাক। এই লক্ষ্য নিয়ে লেখা সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি।
পেজ সূচিপত্রঃ ইউটিউব ভিডিও আপলোড করেও ভিউ না আসার কারণ
-
ইউটিউব ভিডিও আপলোড করেও ভিউ না আসার কারণ
-
টাইটেল থাম্বনেইল ও ডেসক্রিপশন এর দুর্বলতা
-
ট্যাগের অনুপস্থিতি বা অকার্যকর ব্যবহার
-
ইউটিউব অ্যালগরিদম ও দর্শকের ধৈর্য ধারণ না করা
-
ভিডিওর মান ও বিষয়বস্তুর আকর্ষণহীনতা
-
নিয়মিত তা ও কনটেন্ট ক্যাডেন্সের এর অভাব
-
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর জ্ঞান ও প্রয়োগের অভাব
-
চ্যানেলের অভ্যন্তরীণ সুপারিশের অভাব
-
প্রতিযোগিতা ও নিশের মানের প্রচারমূলক কাজ
-
শেষ কথাঃ ইউটিউব ভিডিও আপলোড করেও ভিউ না আসার কারণ
ইউটিউব ভিডিও আপলোড করেও ভিউ না আসার কারণ
ইউটিউব ভিডিও আপলোড করেও ভিউ না আসার কারণ একটি নয় একাধিক। কিন্তু চিন্তার কোন কারণ নেই। কারণ প্রতিটি সমস্যারই একটি সমাধান আছে। আপনি কি দিন রাত পরিশ্রম করেন একটি অসাধারণ ইউটিউব ভিডিও তৈরি করলেন। আকর্ষণীয় এডিটিং করলেন। সাউন্ড ইফেক্ট আকর্ষণীয় করে তুললেন, প্রফেশনাল দিবেন। কিন্তু আপলোড করার পর সেই ভিডিওতে কোন ভিউ আসছে না। হ্যাঁ এই হতাশা জনক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যান। তবে এটা নিয়ে দুশ্চিন্তের কোন কারণ নেই। এর একটি সহজ সমাধান রয়েছে।
আসুন জেনে নেওয়া যাক। কেন আপনার ভিডিওটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হচ্ছে এবং কি করলে সেটি দর্শকের চোখে পড়বে। ইউটিউব মূলত একটি ভিজুয়াল সার্চ ইঞ্জিন। দর্শকেরা প্রথমেই দেখে টাইটেল এবং থামনেল। আপনার টাইটেল যদি অস্পষ্ট বেশি সাধারণ বা সার্চ ফ্রেন্ডলি না হয়। তাহলে সেটি কখনোই সার্চ রেজাল্টে উঠবে না। যেমন একটি মজার ভিডিও এর চেয়ে ঢাকার সবচেয়ে দামি বার্গার খেয়ে যা হল অনেক বেশি হয়ে থাকে।
এইসব টাইটেল থাম্বনেল হল আপনার ভিডিওর বিজ্ঞাপন যদি এটি ঝাপসা অগোছালো বা ক্লিক করতে প্রলুব্ধ না করে, তাহলে দর্শকরা ভিডিওতে প্রবেশ করবে না। টাইটেল ও থাম্বনেইল গুরুত্ব দিন। টাইটেলে মূল কিওয়ার্ড সামনে রাখুন, কৌতুহল সৃষ্টি করুন, সামনের তৈরি করুন, হাই কনট্রাস্ট স্পষ্ট টেক্সট এবং একশন শট দিয়ে ক্যানভা বা ফটোশপ এর মত টুল ব্যবহার করে পেশাদার থাম্বনেইল বানানো যায়।
আরো পড়ুনঃ ইউটিউব শর্টস থেকে ইনকাম না আসার ১০ টা আসল কারণ
আপনি হয়তো ভিডিও বানানোর মাস্টার কিন্তু সেটিকে খুঁজে পাওয়ার উপায় সম্পর্কে আপনি কিছুই জানেন না। ইউটিউব এর অ্যালগরিদম আপনার ভিডিওকে বুঝতে সাহায্য করে। টাইটেল, ডেসক্রিপশন এবং ট্যাগ যদি আপনি ডেসক্রিপশন খালি রাখেন। কিংবা ভিডিও, মজা ফানি এর মত সাধারণ ট্যাগ ব্যবহার করেন। তাহলে আপনার ভিডিও কখনোই সঠিক দর্শকের কাছে পৌঁছাবে না।
টাইটেল থাম্বনেইল ও ডেসক্রিপশন এর দুর্বলতা
ইউটিউব ভিডিও আপলোড করার পরেও কোন ভিউ আসে না কারণ এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো দুর্বল টাইটেল, অআকর্ষণীয় এবং অসম্পূর্ণ ডেসক্রিপশন। ইউটিউব মূলত একটি সার্চ ইঞ্জিন। দর্শকরা সার্চ বারে কি লিখবে সে অনুযায়ী আপনার টাইটেল ও ডেসক্রিপশনে কিওয়ার্ড আছে কিনা তা গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনার টাইটেল হয় স্পষ্ট বেশি সাধারণ বা বিষয়বস্তুর সাথে অসংলগ্ন হয়। তাহলে সার্চ রেজাল্টের তা উঠবে না। আপনার ভিডিওর বিজ্ঞাপনের পোস্টার যদি থাম্বনেইল অস্পষ্ট, নিম্নমানের বা ক্লিক করার মত কোন কৌতূহল না জাগায়।
তাহলে দর্শকরা ভিডিওতে ক্লিক করবে না। এমনকি সার্চ রেজাল্ট দেখলেও ডেসক্রিপশন খালি রাখা বা শুধু দুই লাইন লিখে দেওয়া একটি বড় ভুল। ডেসক্রিপশনে আপনার ভিডিওর সম্পূর্ণ সারমর্ম, গুরুত্বপূর্ণ লিংক এবং প্রাসঙ্গিক কিওয়ার্ড থাকা উচিত। এটি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে সরাসরি সাহায্য করে। অনেক ক্রিয়টর এই মেটা ডেটা এর গুরুত্ব কে উপেক্ষা করেন। মনে রাখবেন ইউটিউব আপনার ভিডিওকে কার কাছে দেখাবে। তা বুঝতে এই তথ্যগুলোর সাহায্য নেয়। সেগুলো যথাযথ না হলে ভিডিও অদৃশ্য রয়ে যায়।
ট্যাগের অনুপস্থিতি বা অকার্যকর ব্যবহার
ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করার পরেও কোন ভিউ আসে না। এর কারণের দ্বিতীয় ধাপ হলো ট্যাগের অপর্যাপ্ততা বা ভুল ব্যবহার। এই কিওয়ার্ড গুলো এমন কীওয়ার্ড যা আপনার ভিডিওর বিষয় বস্তুকে শ্রেণীবদ্ধ করে এবং ইউটিউব এলগরিদম কে বোঝাতে সাহায্য করে। যে আপনার ভিডিওটি কাদের জন্য প্রাসঙ্গিক। অনেকেই ট্যাগ অংশটি খালি রাখেন বা অত্যন্ত সাধারণ শব্দ দিয়ে দেন। এসব সাধারণ ট্যাগের লক্ষ লক্ষ ভিডিও থাকায়, আপনার ভিডিও তলায় চাপা পড়ে যাবে। আবার কেউ কেউ অসম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক কিন্তু জনপ্রিয় ট্যাগ ব্যবহার করেন।
যেটিকে ক্লিক ব্যাট বা ট্যাগ স্প্যামিং বলে। এটি ইউটিউব এর নীতি লঙ্ঘন এবং এলগরিদম আপনার ভিডিওকে দৃষ্টির বাইরে রাখতে পারে। একটি কার্যকর ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে, যা আপনার ভিডিওর নির্দিষ্ট বিষয় বস্তুকে নির্দেশ করে। যেমন ঢাকার সেরা কফি শপ সম্পর্কে ভিডিও হলে ঢাকা কফি শপ রিভিউ, বাংলাদেশ কফি ইত্যাদি নির্দিষ্ট ট্যাগ ব্যবহার করা যেতে পারে। ট্যাগ এর গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারলে, আপনি দর্শক খুঁজে পাওয়ার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার খুঁজে পাবেন।
ইউটিউব অ্যালগরিদম ও দর্শকের ধৈর্য ধারণ না করা
ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করার পরেও কোন ভিউ আসে না এর কারণ অনেক সময় আমাদের অধৈর্য্যতা। ইউটিউব অ্যালগরিদম নতুন চ্যানেল এবং নতুন ভিডিও কে বুঝতে কিছুটা সময় নেয়। একটি ভিডিও আপলোড করার পরপরই তা সার্চে উঠে আসবে বা হোমপেজে দেখা যাবে। এই প্রত্যাশা করা বাস্তবসম্মত নয়। অ্যালগরিদম প্রথমে আপনার ভিডিওটি কিছু সংখ্যক দর্শকের কাছে টেস্ট করে দেখে। তাদের প্রতিক্রিয়া কেমন হয়। সেই ডেটার ভিত্তিতে এটি সিদ্ধান্ত নেয়। ভিডিওটি আরও দর্শকের কাছে প্রদর্শন করা উচিত কিনা।
তাই প্রথম ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টাকে টেস্টিং হিসেবে বিবেচনা করুন। এই সময়ে আপনি যদি নিজের ভিডিও শেয়ার করে বন্ধু বান্ধব বা সামাজিক মাধ্যমে করে কিছু প্রাথমিক ভিউ লাইক ও কমেন্ট জোগাড় করতে পারেন, তাহলে অ্যালগরিদম ইতিবাচক সিগনাল পায়। এছাড়াও দর্শকরা আপনার ভিডিও কতক্ষণ দেখছে তা অ্যালগরিদম এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি দর্শকের প্রথম ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই ভিডিও ছেড়ে চলে যায়, তাহলে অ্যালগরিদম মনে করবে ভিডিওটির মান খারাপ। এই প্রাথমিক পর্যায়ের অপর্যাপ্ত ইন্টার একশন বড় ভূমিকা রাখে।
ভিডিওর মান ও বিষয়বস্তুর আকর্ষণ হীনতা
আজকের প্রতিযোগিতাময় ইউটিউব প্লাটফর্মে দর্শকরা খুবই সুপারিশকৃত। যদি আপনার ভিডিওর অডিও কোয়ালিটি খারাপ হয়, ভিডিওর রেজিলিউশন খুব নিম্নমানের হয় , অথবা আলোর ব্যবস্থাপনা খুব খারাপ হয়ে থাকে। তাহলে দর্শকরা ক্লিক করলেও কিছুক্ষণের মধ্যে ভিডিও দেখা বন্ধ করে দেবে। এটি ইঙ্গিত দেয় ইউটিউব এলগরিদমকে যে আপনার কনটেন্ট দর্শকের চাহিদা পূরণ করছে না। আরো গুরুত্বপূর্ণ হলো বিষয়বস্তু।
আপনি কি এমন কিছু অফার করছেন যা অন্য হাজারো প্লেয়ারটার ইতিমধ্যে করছেন। আপনার ভিডিওতে কি নতুন কোন দৃষ্টিভঙ্গি, বিশেষ জ্ঞান বা অন্যান্য উপস্থাপনা আছে। যদি না থাকে তাহলে দর্শকরা আপনার ভিডিও বেছে নেবে কেন। আপনি হয়তো হাউ টু ব্যাক এ কেক ভিডিও বানালেন। কিন্তু যদি সেখানে নতুন কোন টিপস বা উপস্থাপনার স্টাইল না থাকে, তাহলে দর্শকরা আগে থেকেই থাকা জনপ্রিয় ভিডিও গুলোই দেখবে। এর গভীরে রয়েছে কন্টেন্টের স্বতন্ত্রতা ও মানের অভাব।
নিয়মিত তা ও কনটেন্ট কেডেনসের অভাব
ইউটিউব এ অ্যালগরিদম ঠিক এমন চ্যানেল কে পছন্দ করে, যা নির্ভরযোগ্য এবং নিয়মিত মানসম্পন্ন কনটেন্ট আপলোড করে আপনি যদি একবার ভিডিও দিয়ে তারপর তিন মাস চুপচাপ থাকেন। তাহলে অ্যালগরিদম আপনার চ্যানেলকে নিষ্ক্রিয় বা অনিশ্চিত হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে। ফলে আপনি নতুন ভিডিও আপলোড করলেও এলগরিদম তা গুরুত্বের সাথে দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে পারেনা।
আরো পড়ুনঃ উইন্ডোজ ১১ এর নতুন ৮টি ফিচার সম্পর্কে জানুন
একটি কন্টেন্ট ক্যাডেন্স তৈরি করুন এবং তা মেনে চলার চেষ্টা করুন। এটি আপনার নিয়মিত দর্শকদের মধ্যে একটি প্রত্যাশা তৈরি করবে এবং অ্যালগরিদম ও আপনার চ্যানেলকে আরো ভালোভাবে বুঝতে পারবে।। অনিয়মিত আপলোড দর্শক হারানোর একটি বড় কারণ। যা পরোক্ষভাবে ইউটিউব ভিডিও আপলোড করেও ভিউ না আসার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিয়মিততা দর্শক এবং এলগরিদম উভয়ের কাছেই আপনার চ্যানেলের মূল্য বৃদ্ধি করে।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জ্ঞান ও প্রয়োগের অভাব
ইউটিউব হচ্ছে গুগলেরই একটি সার্চ ইঞ্জিন। তাই গুগল সার্চে যেসব নিয়মকানুন কাজ করে, ইউটিউবেও তার অনেকটাই প্রযোজ্য। আপনি যদি আপনার ভিডিওর জন্য সঠিক কিওয়ার্ড রিসার্চ না করে থাকেন, তাহলে খুবই কম যে দর্শকরা আপনার ভিডিও খুঁজে পাবে। কিওয়ার্ড রিচার্জ বলতে বোঝায় আপনার ভিডিওর বিষয় সম্পর্কে দর্শকরা সাধারণত কি কি শব্দ বা বাকা অংশ দিয়ে ইউটিউবে সার্চ করে থাকে, সেগুলো খুজে বের করা। এর জন্য গুগল ফ্রেন্ডস, টিউব বাডি কিংবা ইউটিউব এর নিজস্ব সার্চ বার ব্যবহার করা যেতে পারে।
সঠিক কিওয়ার্ড বেছে নিয়ে সেটি টাইটেল ডেসক্রিপশন এর প্রথম কয়েক লাইন এবং ট্যাগ এ ব্যবহার করতে হবে। অনেক ক্রিয়টর শুধু ভিডিও বানাতে মনোযোগ দেন। কিন্তু সেটিকে খুঁজে পাওয়ার পদ্ধতি নিয়ে ভাবেন না। ইউটিউবে এসব ভিডিও আপলোড করার পরে ভিউ না আসার কারণ দূর করতে হলে, এসইও একটি আবশ্যিক দক্ষতা হিসেবে আয়ত্ত করতে হবে। এই দীর্ঘ মেয়াদে অর্গানিক ভিউ বাড়ানোর সবচেয়ে শক্তিশালী কৌশল।
চ্যানেলের অভ্যন্তরীণ সুপারিশের অভাব
নতুন দর্শকরা প্রথমে যখন আপনার একটি ভিডিও দেখে, তখন তাদের সামনে আপনার অন্য ভিডিও গুলো সুপারিশ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। কিন্তু যদি আপনার চ্যানেলেই খুব কম ভিডিও থাকে, অথবা ভিডিও গুলো একে অপরের সাথে সম্পর্কিত না থাকে, তাহলে ইউটিউব আপ নেক্সট বা সুপারিশে আপনার অন্যান্য ভিডিও দেখতে পারবেনা। এর সমাধান হলো চ্যানেলকে একটি থিম বা নির্দিষ্ট বিষয়ে উপর কেন্দ্রীভূত করা এবং ভিডিওগুলোর মধ্যে ক্রস প্রমোশন করা।
একটি ভিডিওর শেষে বা ডেসক্রিপশনে অন্য সম্পর্কিত ভিডিওর লিংক দেওয়া, লিস্ট তৈরি করা ।অন্য ভিডিওতে দর্শকদের নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা। এর ফলে একজন দর্শক আপনার চ্যানেলে দীর্ঘ সময় কাটাবে। এর কাছে খুবই ইতিবাচক একটি ম্যাট্রিক্স এটি একটি কৌশলগত কারণ। যা আপনার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
প্রতিযোগিতা ও নিশের মানের প্রচারমূলক কাজ
অনেক সময় হতে পারে আপনার ভিডিওর প্রচারের জন্য আপনি যে পদ্ধতি ব্যবহার করছেন তা আসলে ক্ষতিকর। উদাহরণস্বরূপ অনেকেই ফেসবুক গ্রুপে বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে ভিডিও লিংক স্প্যাম করে। এর ফলে যে ভিউ গুলো আসে, তারা সাধারণত খুব কম সময় ভিডিও দেখে। আপনার ভিডিওর গড় দর্শন সময় মারাত্মকভাবে কমিয়ে দেয়। এলগরিদম তখন মনে করে আপনার কনটেন্ট দর্শককে ধরে রাখতে পারছে না। ফলে ভিডিও কে সুপারিশ করা বন্ধ করে দেয়।
আরো পড়ুনঃ পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ল্যাগ কমানোর নিয়ম
এছাড়া সাবস্ক্রাইবার বা ভিউ লাইক কিনে ফেলা আরও ভয়াবহ। ইউটিউবের এলগরিদম এফেক্ট ইন্টারজ্যাকশন সমাপ্ত করার জন্য অত্যন্ত উন্নত। এটি ধরা পড়লে আপনার ভিডিও দমন করা হবে। এমনকি আপনার চ্যানেল স্ট্রাইক পেতে পারে বা বন্ধ হয়ে যেতে পারে বা বিষপানের সামিল হয়ে থাকে। বরং জৈব উপায়ে বা অর্গানিক উপায়ে সঠিক দর্শকের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করুন।
শেষ কথাঃ ইউটিউব ভিডিও আপলোড করেও ভিউ না আসার কারণ
ইউটিউব ভিডিও আপলোড করেও ভিউ না আসার কারণ নিয়ে এই গভীর অনুসন্ধান থেকে একটি বিষয় পরিষ্কার যে এটি একক কোন ত্রুটির ফল নয়। বরং অনেকগুলো বিষয়ের সম্মিলিত প্রভাব। আমরা দেখেছি কিভাবে টাইটেল থেকে শুরু করে এসইও কন্ডেন্ট এর মান অ্যালগরিদম এর ধৈর্য নিয়মিততা এমনকি কপিরাইট আইনের মত জটিল বিষয়ও আপনার ভিডিওর দৃশ্যমানতাকে প্রভাবিত করতে পারে। মূল কথা হলো ইউটিউব একটি প্রযুক্তিগত প্লাটফর্ম এর পাশাপাশি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তু তন্ত্র।
এই আলোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো হতাশ না হয়ে সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করুন এবং ধাপে ধাপে সমাধানের দিকে এগিয়ে যান। আপনার ভিডিওকে শুধু আপলোড করাই শেষ নয় তাকে খুঁজে পাওয়ার উপযোগী করে গড়ে তোলা আসল কাজ। আপনি যখন বুঝতে পারবেন তখনই সেগুলো এঁড়ে সফলতার পথে এগিয়ে যেতে পারবেন। মনে রাখবেন আজকের বৃহৎ ইউটিউবাররাও একদিন শূন্য থেকে শুরু করেছিলেন। বিশ্বাস রাখুন, দর্শকদের মূল্য দিন এবং প্রক্রিয়াটির সাথে ধৈর্য ধরুন। একদিন না একদিন আপনার সেই কাঙ্ক্ষিত ভিউ কাউন্টও ঘুরে দাঁড়াবে।



এডু ওয়েব আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়। ;
comment url